যার ঘর নেই, তারও তো সন্ধ্যা নামে— আকাশের রঙ বদলায়, হাওয়া নরম হয়, তবুও তার ফিরে যাওয়ার কোনো ঠিকানা থাকে না। তবু সে দাঁড়িয়ে থাকে, একটা অদৃশ্য দরজার সামনে, যেখানে
খুব নীরবে একটি ছেলে তোমার কথা ভাবে রাত দুপুরে বুকের ভিতর ঝিঁঝিঁ-পোকা কাঁদে, দাঁড়িয়ে থাকে একলা একা আঁধার কালো রাতে নিশির জলে মায়ার সুরে কেউবা তারে ডাকে! খুব নিশীথে প্রেমের
আবার ফিরে এসো, যেভাবে বসন্ত ফিরে আসে শুকনো ডালে, যেভাবে রাতের আকাশে তারা জ্বলে ওঠে নীরবে। আবার ফিরে এসো, সেই চেনা গলির মোড়ে, যেখানে তোমার পায়ের শব্দ এখনো আমার বুকের
কথা যারা বেশি বলে কাজে ঠনঠন শুন্য কলস বাজে বেশি কয় গুরুজন। ব্যস্ত থাকে সারাবেলা খুঁজতে কেবল দোষ পাশের লোকের সাফল্য দেখে করে ফুসফুস। দুই দিকে পা দিয়ে চলতে ভালো
তুমি প্রতিদিন আমার সামনে দিয়ে হেটে হেটে যাও আর মিট মিটিয়ে হাসো,আর লুকিয়ে লুকিয়ে দেখে আমাকে। আসলে তোমার ভালোবাসা আমি বুজতে পারিনা তোমার চোখ বলে আমায় তুমি ভিষম ভালোবাসো,কিন্তু তোমার
এটা আমার শেষ দাবি— শেষবারের মতো ভাঙা হৃদয়ের দরজাটা খুলে দিলাম তোমার সামনে। কোনো ফিরে আসার আহ্বান নেই, কোনো প্রতিশ্রুতির বোঝাও চাপাইনি তোমার ওপর। শুধু একটা কথা রয়ে যাক— আমার
আমার দুঃসাহস কখনো হয়নি লিখবো জীবন্ত এক কিংবদন্তীকে নিয়ে কালোত্তীর্ণ সন্জিবণী ভাষা রুদ্ধ করেছিল এই পৃথিবীকে; ভয়ের কারন হয় যদি ভুল! বেগম খালেদা জিয়া পুতুল। অবিভক্ত বাংলার শিলিগুড়ি বহুদিন পরে
আমাকে যদি দণ্ডাদেশ দাও! অবনত মস্তকে মেনে নিবো। দাও! যে কোন শাস্তি আমায় দাও। আমার সারে তিন হাত মাটির স্বাধীনতা আমি কিছুতেই ছেড়ে দিবোনা। আমকে যদি ফাঁসি দাও? তবে তাই
পুত্র ডাকিয়া মরণ কালেতে উমর শুধায় আশা দুই বন্ধু’র পাশে যদি হয় মোর কবরের বাসা! যেই উমরের ভয়েতে কাঁপতো অর্ধ জাহান সবে রাসূল পার্শ্বে চাইতে কবর আকুতি তাহার তবে! পুত্র
আন্দোলন, সংগ্রাম চলছে আদিকাল হতে অন্যায় ও শোষণ, নিপীড়নের বিরুদ্ধে যাহা ছিলো স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিত। আজকাল পাল্টে গেছে সেই আন্দোলনের ধরণ কথায় কথায় আন্দোলনের নামে সৃষ্টি করছে বিশৃঙ্খলা হয়ে একত্রিত