
যার ঘর নেই, তারও তো সন্ধ্যা নামে—
আকাশের রঙ বদলায়, হাওয়া নরম হয়,
তবুও তার ফিরে যাওয়ার কোনো ঠিকানা থাকে না।
তবু সে দাঁড়িয়ে থাকে, একটা অদৃশ্য দরজার সামনে, যেখানে কেউ আসবে না—
সে জানে, তবুও অপেক্ষা থামে না।
মানুষ আসলে অপেক্ষাতেই বাঁচে,
কখনো মানুষের জন্য, কখনো ভালোবাসার জন্য,
কখনো শুধু একটা “ফিরে আসা” শব্দের জন্য।
অপেক্ষা যেন এক নীরব অভ্যাস,
যা ভাঙতে গেলেই বুকটা হাহাকার করে ওঠে।
নীরব কষ্টগুলো জমতে জমতে একদিন পাহাড় হয়ে যায়, ভেতরে ভাঙন, বাইরে স্থিরতা—
এই দ্বন্দ্ব নিয়েই বেঁচে থাকে মানুষ।
তার হাসি যেন এক মুখোশ, যার আড়ালে লুকানো হাজারো অপূর্ণতা, অজস্র না-পাওয়ার ইতিহাস।
তবুও সে হাসে, কারণ পৃথিবী কান্নার ভাষা বোঝে না, এখানে শক্ত থাকাটাই নিয়ম।
যারা ভেঙে পড়ে, তারা হারিয়ে যায়,
আর যারা হাসে, তারাই টিকে থাকে।
এই পৃথিবীতে না-পাওয়ার গল্পই সবচেয়ে সত্য,
সবচেয়ে গভীর, সবচেয়ে নিঃসঙ্গ।
তাই মানুষ চুপচাপ বাঁচে,
অপেক্ষা আর অভিমানকে বুকে নিয়ে,
একদিন সব শেষ হবে জেনেও—
তবুও ভালোবাসার আশায় পথ চেয়ে থাকে।