1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরগঞ্জে বাইশগাঁও বাজারের ব্রিজের গার্ডার ভাঙার অভিযোগ, তদন্তে এলজিইডি মদিনায় মহি কন্ট্রাক্টিং কোম্পানির প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন আগামীকাল সকাল ১০টায় কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন মেজর আখতারুজ্জামান আকাশে তাকিয়ে থাকি -কোহিনূর আক্তার মনোহরগঞ্জে এনসিপির নতুন কমিটি নিয়ে অসন্তোষ, ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি মনোহরগঞ্জে আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাটি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারের সংবাদ সম্মেলন মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ১৩১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মোবারক, সম্পাদক মেহেদী মনোহরগঞ্জে আলীনকিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত অস্ত্রের মহড়ার টিকটক ভিডিও: মনোহরগঞ্জে কিশোর গ্যাং লিডার গ্রেফতার মনোহরগঞ্জে শিক্ষিকার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন।

সম্মান –নাজমুল ইসলাম রাজু

এম.এ.মান্নান.মান্না:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে
পুত্র ডাকিয়া মরণ কালেতে উমর শুধায় আশা
দুই বন্ধু’র পাশে যদি হয় মোর কবরের বাসা!
যেই উমরের ভয়েতে কাঁপতো অর্ধ জাহান সবে
রাসূল পার্শ্বে চাইতে কবর আকুতি তাহার তবে!
পুত্র যাওতো আর দেরি নয় এখনি আর্জি নিয়ে
যেথা উম্মুল মোমেনীন আছে জানাও তাহারে গিয়ে।
আমিরুল কীবা মোমেনীন নাম বোলোনা সেথায় তারে?
আজি আমি বড়ো দয়ার প্রার্থী তাহার হৃদয় ধারে ।
আগে দিবে গিয়ে সালাম আমার সম্মানে তার কাছে
তারপর সেতো যাইবা বলুক ভাগ্যে যে তাই আছে।
পুত্র ঠিকটি সালাম জানিয়ে ডাকে নির্দেশ মতো
আয়শা তখন উমর ব্যথায় ছিলেন কান্না রত।
পুত্র বলিলো আমিরুল কীবা মোমেনীন কেউ নয়!
আমার আব্বা দিছেন সালাম যদি কোনো দয়া হয়!
গ্রহণ করেন আর যদি দেন কবর এখানে তার
তবে পিতা মোর খুশি হন খুব এখন যা ক’ন আর?
আয়শা শুনিয়া নীরব হইয়া বলে মোর ছিলো মনে
রাসূল আর ঐ পিতার পাশের কবর আমার কোণে।
এই কথা আমি এতদিন ধরে ভাবিয়া এসেছি তবে?
উমর ছিলোতো প্রিয় রাসূলের স্মরণ রাখতে হবে।
উমর যখন নিজের কবর এমনি এখানে চায় ?
কেমন করিয়া আমি যে আয়শা ফেরাবো তাহারে হায়!
জীবন পথটি তাঁরা তিনজন একসাথে গেছে বেয়ে
উমর কে তাই অগ্রাধিকার দিলেন নিজের চেয়ে।
আয়শার সেই অনুমতি পেয়ে খুশি উমরের ভাব
আল্লাহ্ মহান শোকর তাঁহার এর চেয়ে নেই লাভ।
ছিলোনা চাওয়া আরতো কিছুই পেলো সবে পরে টের
গেলেন ছাড়িয়া খলিফা ওপার কাঁদলো ভুবন ঢের।
কাঁদলো সকল বিয়োগ ব্যথায় কাঁদলো সকল ধার
রাসূল পত্নী হাফসা কাঁদছে পিতা নাই তার আর।
লাশটি সকলে রাখলো আনিয়া আয়শার নিজ ঘরে
দুই বন্ধু’র পাশে ঠিক তার কবর রচনা তরে।
এমনে আয়শা উমর দিলেন একে আর জনে মান
পদবী গোপন করে একজন অন্যে কবর দান!
তাইতো ধরণী করলো সালাম এই দুজনার তরে
আল্লাহ্‌ হাসেন দেখিয়া তখন আরশ আযীম পরে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট