তুমি আমার নীরব নক্ষত্র! আলো জ্বেলে রাখো,দিবানিশি। তোমার নরম আলোয় মাখামাখি আকাশ নদী। প্রতিটি নীরব রাতে চাঁদের স্নিগ্ধতার মতো আমার বিছানা অব্দি পৌঁছে যায় তোমার আলো। আমি সেই কোমল আলোতে
তোমার আর আমার বিস্তর ব্যবধান তুমি ব্যস্ততম শহরের এক ব্যস্ত রোবট ! আর আমি গহীনে দাঁড়িয়ে থাকা এক কঠিন পিরামিড !! দুর থেকে দিব্য চোখে দেখছি তোমায় তুমি জ্বলছো অন্তরের
শ্রমজীবী মেহনতির মৌলিক অধিকার স্পর্শকাতর,অনুভূতির প্রগাঢ় তপ্ত মরু-অঞ্চল— শ্রম বিনিয়োগের ফলশ্রুতিতে জীবনধারা আনুষাঙ্গিক গতিপথে নিত্য প্রবাহমান। খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠীর ‘যাপিত জীবন’ মূল স্রোতের ধারায় নিষ্প্রভ তলানিতে, নৈমিত্তিক আহার জোগাড় যাদের
‘২৪ সম্ভব হয়েছে ‘৭১ হয়েছে বলে তাই ‘৭১ কে খাটো করে ‘২৪ কে মাথায় তুলতে পারিনা কারণ ‘৭১ দিয়েছে আমাদেরকে আলাদা আইডেন্টিটি। তাই বলবো কথা একটাই ‘৭১ বলি আর ‘২৪
এখানে হৃৎপিন্ড ছিল,ফুসফুসের বিশুদ্ধ বাতাস শীতলক্ষ্যার স্বচ্ছ স্রোতে মসলিনের রেশম তন্তুজ। এলোমেলো শতাব্দীর ঘরে শৌর্য বীর্যের খাম অযোধ্যার গন্ধমাখা মসলিন নগরী পানাম। নক্ষত্র ছিলো মহাজাগতিক ঘড়ির কাঁটায় ঈসা খাঁ’র তুর্কী
আমি কবি — কাজী নাছিমা সাথী আমি কবি বাস্তব বাদী কবি আমি লেখার মাধ্যমে তুলে ধরি মানুষ ও সমাজের ছবি। আমি লেখা – লেখি করি -এটা বিধাতা কর্তৃক প্রাপ্তি কৃতজ্ঞ
বাঙালির জীবনাচার তোষামোদ মার্কা চরিত্রের, লোভনীয় ঢঙ্গে পরচর্চায় তুষ্ট হওয়ার স্বভাব। ঘরেবাইরে অফিস আদালতে সর্বত্র সকল কর্মকান্ডে আনুতোষিক পারিতোষিক উপরি নিয়ে দিয়ে নিজের অনুকূলে কাজ হাঁচিল করতে দারুণ ভাবে অভ্যস্ত,এককথায়
সবাই সবার তরে বাঁচি নিঃশ্বাসে নিরলস বিশ্বাস, মূলে রয়েছে গুপ্ত ফাঁকি স্মরণের পানে ওঠে নাভিশ্বাস। সত্য কথায় রয়েছে মহাপাপ জগতে সদা প্রচলিত নিয়মে, কদাচিৎ হবে না কখনো মাপ আসল নকলের
খাবার টেবিলে বসে মার দিকে তাকিয়ে চোখে ইশারা করলাম আমার কথাটা বাবাকে বলতে। মা ভয়ে ভয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে বললো, রাকিব ১০ হাজার টাকা চেয়েছিলো। ওর বন্ধু বান্ধবরা মিলে কয়েকদিনের
পরম প্রিয় দাদির ছিল আদর মাখা মুখ, দেখলে দাদির সোনা মুখটা পেতাম মনে সুখ। দাদির সাথে খুব আদরে ছোট বেলা কাটে, দাদির হাতটা ধরে যেতাম ফসল ভরা মাঠে। গাঁয়ের বাড়ি