1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব! মনোহরগঞ্জে ২৪তম ইউএনও হিসেবে রিফাত জাহানের যোগদান মনোহরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির বর্ণাঢ্য আয়োজনে মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরগঞ্জের মৈশাতুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মাছের পোনা অবমুক্ত বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বৃক্ষ রোপন ও মাছের পোনা অবমুক্তকরন

লোটাস পরিবারের পেটে লালমাই

মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের (লোটাস কামাল) ছোট ভাই সদর দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার, সারোয়ারের গাড়িচালক, তার ভাতিজা ও ভাগিনাসহ ঘনিষ্ঠদের লোভে লালমাই পাহাড়ের সর্বনাশ হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। নিজেরা কম দামে জমি কিনে বেশি দামে বিক্রির জন্য পাহাড়ের এই সর্বনাশ করা হয়েছে। স্থানীয়দের আপত্তির পর পাহাড় কাটা ভূমিতে চলছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নতুন ক্যাম্পাসের কাজ।

সূত্রমতে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেড় কিলোমিটার পশ্চিমে রাজারখোলা এলাকায় ২০০ দশমিক ২২ একর জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সম্প্রসারিত ক্যাম্পাস করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণ ও পুরনো ক্যাম্পাস আধুনিকায়নের জন্য ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর ১৬৫৫ কোটি টাকার প্রকল্প পাস হয়। যার মধ্যে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয় সম্প্রসারিত ক্যাম্পাসের ভূমি অধিগ্রহণে। ভূমি অধিগ্রহণের কিছু নথিপত্রে দেখা যায়, বেশির ভাগ ভূমিই সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও তার ছোট ভাই সদর দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ারের ঘনিষ্ঠজনদের নামে নিয়ে রেখেছেন। এতে নাম রয়েছে তার গাড়িচালক, তাদের ভাগিনা, ভাতিজা, ঘনিষ্ঠ কয়েকজন উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা, এক ইউপি চেয়ারম্যান ও তার স্ত্রীর। নাম আছে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-কর্মকর্তা, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের দুজন নেতা, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টাররোল কর্মচারীরও। ২০০ একর জমির মধ্যে ১০০ একরের বেশি জমি আছে এ কয়েকজনের নামে। বাকি জমি পুরনো মালিকদের নামে। স্থানীয় লোকজন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবি, নতুন সম্প্রসারণ প্রক্রিয়ায় মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর মাসুম বলেন, পাহাড় ও বন ধ্বংস করে অবকাঠামো নির্মাণের সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী। তাই যে কোনো ধরনের অবকাঠামো নির্মাণে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সৌন্দর্য তা পাহাড়ের কারণেই হয়েছে। তাই পাহাড়ের ওপর হাত দেওয়া যাবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট