1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
আধুনিক নাথেরপেটুয়া ইউনিয়ন গড়তে চান সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া লাকসামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০ কোটি টাকার ফেরত যাচ্ছে নাঙ্গলকোটে পদযাত্রায় আমরা সরকারের কাছে ‘জাস্টিস কার্ড’ চাই- হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি মনোহরগঞ্জ হাজীপুরা বালিকা দাখিল মাদরাসার কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান লাকসামে এনসিপি’র পথসভা ও যোগদান অনুষ্ঠিত গরু চোর সন্দেহে লালমাইয়ে যুবদল নেতাসহ ৩ জনকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে গণপিটুনি, ভিডিও ভাইরাল চুয়াডাঙ্গায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩ রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার চার্জশিট সংক্ষিপ্ত সময়ে দাখিলের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে বিএনপি : হাসনাত আবদুল্লাহ মনোহরগঞ্জে বি-স্ট্রং প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জনবিচ্ছিন্ন হলে আমি মারা যাব: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪
  • ২৮২ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হলে মারা যাব।  কাজেই তিনি যেন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে না পড়েন সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বুধবার এসএসএফ’র ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার কার্যালয়ের (পিএমও) শাপলা হলে আয়োজিত দরবারে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, একটি বিষয় আমি নিশ্চই বলব- আমরা রাজনীতি করি। আমার আর কোনো শক্তি নেই। শক্তি একমাত্র জনগণ। সেই জনগণের শক্তি নিয়েই আমি চলি।

তিনি বলেন, কাজেই জনবিচ্ছিন্ন যাতে না হয়ে যাই, আমি জানি এটা কঠিন দায়িত্ব। তারপরেও এই দিকেও নজর রাখতে হবে যে এই মানুষগুলোর জন্যই তো রাজনীতি করি। মানুষদের নিয়েই তো পথ চলা। আর যাদেরকে (দলীয় নেতাকর্মী) নিয়েই দেশের মানুষের কাজ করি তাদের থেকে যেন কোনোমতে বিচ্ছিন্ন হয়ে না যাই।

শেখ হাসিনা বলেন, এটা সবসময়ই এসএসএফ’র সদস্যদের আমি বলি এবং মাঝে মধ্যে রাগও করি। কাজেই এই বিষয়গুলো একটু সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখা দরকার। কারণ, আমি যখন সরকারে ছিলাম না এই দেশের মানুষ এবং দলীয় লোক, তারাই আমার পাশে ছিল।

তিনি এই সময় এক দরিদ্র রিকশাওয়ালার উপার্জনের সামান্য জমানো অর্থে তাদের দুই বোনের ঢাকায় যেহেতু কোনো বাড়ি নেই এবং ধানমন্ডির বাড়িটিও তারা দান করেছেন সেজন্য তার নামে একটি জমি কেনার এবং তার কাছে হস্তান্তর করতে চাওয়ার একটি ঘটনার উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকবার তাকে নিষেধ করা সত্ত্বেও সে শোনে নাই। সেই রিকশাওয়ালার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী সেই দলিলটা তার কাছে হস্তান্তর করতে চাইলে তিনি নিজে সেখানে গিয়ে তাদের বাড়ি তৈরি করে তার স্ত্রীর হাতে দলিল দিয়ে বলেন, এটা মনে করবেন আমারই বাড়ি, এখন আপনারা থাকবেন। অন্যদিকে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর খালেদা জিয়ার জন্য দুইটি বাড়ি, গাড়ি, ক্যাশ টাকা অনেক কিছু রেখে যান।

জাতির পিতার কন্যা বলেন, ‘এই সাধারণ মানুষগুলোর জন্যই আমার রাজনীতি, এদের ভাগ্যের পরিবর্তন ও জীবনমান উন্নত করাই আমার লক্ষ্য। তাই এইসব মানুষগুলোর কাছ থেকে আমি বিচ্ছিন্ন হতে পারি না। কারণ, এরাই আমার চলার সব শক্তি জোগায়। এটা সবাইকে মনে রাখার জন্য আমি অনুরোধ করছি।’

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

এসএসএফ’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম নাজমুল হাসান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট