পুরুষ মানুষ খুব কমই অসুখে মরে। তার মৃত্যু আসে অন্য পথে— চুপচাপ, শব্দহীন, একদম নিরবে। কেউ জানে না, কেউ দেখে না কেউ শোনেও না। পুরুষ সাক্ষী হয়ে থাকে পুরুষ হওয়ার
বদলে যায় মানুষ, বদলে যায় জীবনের হিসাব, মিলাতে পারছি অংকের সমস্যাগুলো। সরলতা জটিলতার সৃষ্টি করে ভীষণ রকম কষ্টের ভেতর। তোমার অবহেলা আমাকে ভীষণ পুড়ায় ! হিরোশিমা না গাছার চেয়ে তীব্র
তোমার অনুপস্থিতিতে আমি কারো নাম ধরে ডাকি না কাউকে প্রয়োজন হওয়ারও প্রয়োজন বোধ করিনা। আমি অন্য কাউকে খুঁজি না। কারণ পৃথিবীর কোনকিছু দিয়ে সব শূন্যতা পূরণ হলেও তোমার শূন্যতা
হে আরশের মালিক— আমাকে বদলে দিন। আমাকে ততটাই বদলে দিন— যতটা বদলালে মানুষের প্রতি আমার দুর্বলতা আর আমার শিরায় শিরায় বিষ হয়ে ছড়াবে না। মানুষের একটি হাসি আমার সারাদিন ঠিক
মনের মতো মানুষ যদি পাশে থাকে, তাহলে চার দেয়াল অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায়। ইট–সিমেন্টে বানানো ঘর নয়, একটু ডাক, একটু অপেক্ষা, এক কাপ চায়ের উষ্ণতাই তখন ঠিকানা হয়ে ওঠে। যেখানে যত্ন
এ-ই যে তুমি প্রতিনিয়ত খুন করছো আমায়, সদ্য অঙ্কুরিত আমার মন, ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা আবেগ, ভালো লাগার অনুভূতি, ভেঙে টুকরো টুকরো করছো বিচার হবে তো তার? স্বপ্নিল আকাশটাকে কালো
এ-ই যে তুমি প্রতিনিয়ত খুন করছো আমায়, সদ্য অঙ্কুরিত আমার মন, ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা আবেগ, ভালো লাগার অনুভূতি, ভেঙে টুকরো টুকরো করছো বিচার হবে তো তার? স্বপ্নিল আকাশটাকে কালো
ভুলিতে চাই না,ভুলা যায় না,তোমার স্মৃতি মা গো, যে পথে হেটে গেছি সেদিন,,সে পথ এখন বাড়ী গো।। যে খালপারে বসে নিশি-দুপুরে বাজাইতাম বাঁশি, সে খালপারে পাকা রাস্তা, দালান-কোঠা ঠাসি, দুই
অবহেলায় পড়ে থাকা কফি কাপ আমাকে নাড়িয়ে দিলো তা শুধু স্মৃতি নয় বরং এমন গল্প যা ফুরায় না কোনোদিন – আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম এতো নি:সঙ্গ পড়ে আছো কেনো কাপ
মানব মনের বৈচিত্রতা বিস্ময়কর! বহুবিধ চিন্তনে ব্যক্ত হয় পন্ডশ্রম, কখন কোনখানে নিমগ্ন হয় চিন্তার নিশীথ অবগাহন,পূর্বে প্রকাশ্যে অক্ষম। উদ্বেগ,বিক্ষুপ্ততা সংযমের অনাদিক্য কোনো পর্বে আনে অশান্তি দুর্ভোগ, নিজস্ব আস্থা বিশ্বাস অনিস্বীকার্য