মানুষ এবং জিন জাতিকে সৃষ্টি করলেন খোদা, তাঁরই কেবল ইবাদতে মশগুল রবে সদা। প্রশ্ন জাগে মনে তবে, চব্বিশ ঘণ্টা ধরে, দুনিয়াদারী করব কখন, চলব কেমন করে? উত্তর তার লুকিয়ে আছে
যিনি দিলেন জীবন-শ্বাস, সাজিয়ে দিলেন ধরা, তাঁরই দেয়া রিজিকে ভাই, মোদের পেটটি ভরা। অথচ কী সহজে মানুষ ভুলল খোদার নাম, দিন ফুরালেই হারিয়ে ফেলে স্রষ্টার সে দাম! সুখের দিনে ডাকেনা
সময়টা বড্ড গোবেচারা। চোখের নিচে জমে থাকা ক্লান্তির পাহাড়, কেউ দেখে না, দেখে শুধু ঠোঁটের কোণে এঁকে রাখা সৌজন্যের হাসি। রাতের গভীরে, নিঃশব্দ ঘরের দেয়াল জানে, কতবার বুকের ভেতর অপ্রকাশিত
প্রতিবাদ করতে আর ভালো লাগে না, কারণ এই দেশে চিৎকার করলেও বিচারের দরজা অনেক সময় বন্ধই থাকে। আইনের চোখে যেন ঘুম জমে আছে, আর অন্যায়ের মুখে লেগে থাকে হাসি। রোজ
যার ঘর নেই, তারও তো সন্ধ্যা নামে— আকাশের রঙ বদলায়, হাওয়া নরম হয়, তবুও তার ফিরে যাওয়ার কোনো ঠিকানা থাকে না। তবু সে দাঁড়িয়ে থাকে, একটা অদৃশ্য দরজার সামনে, যেখানে
খুব নীরবে একটি ছেলে তোমার কথা ভাবে রাত দুপুরে বুকের ভিতর ঝিঁঝিঁ-পোকা কাঁদে, দাঁড়িয়ে থাকে একলা একা আঁধার কালো রাতে নিশির জলে মায়ার সুরে কেউবা তারে ডাকে! খুব নিশীথে প্রেমের
আবার ফিরে এসো, যেভাবে বসন্ত ফিরে আসে শুকনো ডালে, যেভাবে রাতের আকাশে তারা জ্বলে ওঠে নীরবে। আবার ফিরে এসো, সেই চেনা গলির মোড়ে, যেখানে তোমার পায়ের শব্দ এখনো আমার বুকের
কথা যারা বেশি বলে কাজে ঠনঠন শুন্য কলস বাজে বেশি কয় গুরুজন। ব্যস্ত থাকে সারাবেলা খুঁজতে কেবল দোষ পাশের লোকের সাফল্য দেখে করে ফুসফুস। দুই দিকে পা দিয়ে চলতে ভালো
তুমি প্রতিদিন আমার সামনে দিয়ে হেটে হেটে যাও আর মিট মিটিয়ে হাসো,আর লুকিয়ে লুকিয়ে দেখে আমাকে। আসলে তোমার ভালোবাসা আমি বুজতে পারিনা তোমার চোখ বলে আমায় তুমি ভিষম ভালোবাসো,কিন্তু তোমার
এটা আমার শেষ দাবি— শেষবারের মতো ভাঙা হৃদয়ের দরজাটা খুলে দিলাম তোমার সামনে। কোনো ফিরে আসার আহ্বান নেই, কোনো প্রতিশ্রুতির বোঝাও চাপাইনি তোমার ওপর। শুধু একটা কথা রয়ে যাক— আমার