1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঢাকা-১৫ আসনে জুম’আর নামাজ আদায় ও মুসল্লীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন ডা. শফিকুর রহমান চীনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী স্পর্শের পরিবারকে সমবেদনা জানালেন ডা. শফিকুর রহমান মনোহরগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম মোহাম্মদ আলীর বড় ছেলে আরজুর আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে রাজধানীতে বিশাল সাইকেল র‍্যালি: বাজেটে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন নেই, মন্তব্য সেলিম উদ্দিনের আদ-দ্বীনের পুরো হাসপাতাল নয়, বাতিল হয়েছে শুধু প্যাথলজি লাইসেন্স: আইনি লড়াইয়ে নামছেন ব্যারিস্টার শিশির মনির লাকসাম-মনোহরগঞ্জের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা: চলমান কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ সংসদ সদস্য আবুল কালামের মুরাদনগরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত: ১ হাজার চারা বিতরণ ৭০০ বছরের ‘কায়েমি প্রথায়’ ডিসি-র হানা: শাহজালাল ও শাহপরান মাজারের কোটি কোটি টাকার হিসাব তলব যান্ত্রিকতার বুকে কাব্যের স্পন্দন: কবি ও ছড়াকার মোঃ রুহুল আমিন-এর জীবন-সংগ্রাম পটুয়াখালীর দশমিনায় গৃহবধূ নির্যাতনের অভিযোগ, স্বামী ও শ্বশুর আটক

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডের রায় লেখা হয় আইন মন্ত্রণালয়ে: হুম্মাম

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডের রায় ট্রাইব্যুনালে নয়, বরং আইন মন্ত্রণালয়ে লেখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সাকা চৌধুরীর বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি।

হুম্মাম জানান, শেখ হাসিনার লক্ষ্য ছিল তার বিরোধীদের সরিয়ে দেওয়া। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী তার আক্রোশের শিকার। গুম, খুন, হত্যা করে টিকে থাকাই ছিল হাসিনার উদ্দেশ্য।

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে সাক্ষী দেওয়ার জন্য বিদেশ থেকে চারজন আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সে সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ষড়যন্ত্র করে তাদের দেশে আসতে বাধা দিয়েছিল বলেও জানান হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

এ বিষয়ে আগামী রবিবার পরিবারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

হুম্মাম কাদের চৌধুরী আরও বলেন, “মুনীব আরজমন্দ খান, অ্যাম্বার হারুন সাইগল, ইসহাক খান খাকওয়ানি এবং রিয়াজ আহমেদ নূন—এই চারজন ১৯৭১ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের বাবার সহপাঠী ছিলেন। তারা প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ছিলেন। যদি তাদের বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতো এবং তারা সাক্ষ্য দিতে পারতেন, তাহলে তারা বাবাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারতেন।”

একাধিকবার ট্রাইব্যুনালে এবং সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার পরও তাদের দেশে প্রবেশের অনুমুতি দেওয়া হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, “এমনকি আমরা আমাদের বাবাকে হত্যা করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তাদের আনতে শেষ চেষ্টা করেছি।”

সালাউদ্দিন কাদেরের বিরুদ্ধে যারা সাক্ষী দিয়েছেন, তাদের ওপর মব জাস্টিস না করার আহ্বান জানিয়ে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, “কক্সবাজারে আমার বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়া একজনকে মারধর করার ঘটনা ঘটেছে। এটি যেন আর না করা হয়। তারাও বাংলাদেশের নাগরিক, তাদেরও অধিকার আছে বাঁচার।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট