
ঢাকা: আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ জন নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে সরকারের গভীর তদন্ত প্রয়োজন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। তবে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুরো হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।
দীর্ঘদিন ধরে আদ-দ্বীন হাসপাতাল দেশের দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসছে। মানসম্মত সেবার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ মানুষের মনে একটি স্থায়ী আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা করে নিয়েছে। বর্তমানে এখানে অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত শিশুসহ অসংখ্য সাধারণ রোগীর চিকিৎসা চলমান রয়েছে।
চিকিৎসা সেবায় বিপর্যয়: হাসপাতালটির স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলে চলমান চিকিৎসারত রোগীরা চরম ঝুঁকিতে পড়বেন এবং দেশের সামগ্রিক চিকিৎসা সেবায় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষতি: এটি কেবল একটি হাসপাতাল নয়, বরং প্রায় ৪ থেকে ৫ শত মেডিকেল শিক্ষার্থী ও নার্স তৈরির একটি প্রথম সারির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কার্যক্রম স্থবির থাকলে তাদের শিক্ষাজীবন ব্যাহত হবে।
কর্মসংস্থান সংকট: প্রতিষ্ঠানটির সাথে বিশাল সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর জীবিকা জড়িত। এর সেবা কার্যক্রম বন্ধ হলে একটি বড় অংশের মানুষের কর্মসংস্থান সংকটের মুখে পড়বে।
আমাদের আহ্বান: জনস্বার্থ এবং মানবিক দিক বিবেচনা করে, তদন্ত প্রক্রিয়া চালু রেখেই আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্সটি অতিসত্বর ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর অনুরোধ জানাচ্ছি।