হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল, আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অন্য হাসপাতালে সংযুক্তির নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত:
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
১১
বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পর আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্নদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অন্য হাসপাতালে সংযুক্ত করার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি জারি করা হয়েছে এবং তা রোববার (১৪ জুন) কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন।
তিনি গণমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হলেও মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম চালিয়ে নিতে কলেজ কর্তৃপক্ষকে অন্য কোনো বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন বলেন, “হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হলেও মেডিকেল কলেজ বন্ধ হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের জন্য অন্য বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে কোন হাসপাতালের সঙ্গে তারা যুক্ত হতে চায় সে বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের জন্য হাসপাতালে যাতায়াতের ব্যবস্থাও কলেজকেই নিশ্চিত করতে হবে।
বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন, ২০২২-এর ৬ ধারা অনুযায়ী, একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের সঙ্গে কার্যকর সংযুক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়া এমবিবিএস পাঠ্যক্রম অনুযায়ী তৃতীয় বর্ষ থেকেই শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ শুরু হয় এবং স্নাতক শেষে এক বছরের বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হয়।
হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের ঘটনায় আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের এই সিদ্ধান্তে তাদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পথ সুগম হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, সরকারি হাসপাতালের পরিবর্তে কোনো বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গেই প্রতিষ্ঠানটিকে চুক্তিবদ্ধ হতে হবে। এরপর সেই হাসপাতালেই শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।