1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে মনোহরগঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ ছাত্রদলের হামলায় জকসু ভিপিসহ শিবির-ছাত্রশক্তির বেশ কয়েকজন আহত মির্জাপুর পূর্ব ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে সামাজিক অবক্ষয় রোধে জরুরি পরামর্শ সভা ভ্রমণ কাহিনী: পদ্মা পারে আনন্দ ভ্রমণ –আব্দুস সাত্তার সুমন সময় –মুক্তা পারভীন কক্সবাজার ইনানী বিচে ‘কুমিল্লা কবি পরিষদ’-এর আনন্দ ভ্রমণ ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ পাবনার মোঃ হাবিবুর রহমান (শুভ)-কে শতরূপা মানবিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চিকিৎসা সহায়তা ইলোরা আন্তর্জাতিক সাহিত্য কাননের উদ্যোগে ‘বর্ষার কবিতা পাঠ ও আলোচনা অনুষ্ঠান’ অনুষ্ঠিত আলীনকিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত কৃষিমন্ত্রীকে বিএফএ’র নবনির্বাচিত কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়

এক আক্কাছে অসহায় সবাই!

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জুন, ২০২৪
  • ৩৭৭ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার মেয়র ও বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা আক্কাছ আলী আর বিতর্ক যেন পায়ে পা মিলিয়ে চলে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই এলাকাবাসীর। দলীয় নেতাকর্মীরাও অসহায় তার কাছে। আগে থেকেই তার নামে মাতলামি, নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, বলাৎকার, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও টেন্ডারবাজির মামলা ছিল। এবার দলীয় নেতাকে হত্যার মামলায় পলাতক তিনি।
সবশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় পুলিশ আক্কাছ আলীকে গডফাদার আখ্যায়িত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছিল। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘আক্কাস আলী প্রশাসনিক ও আইনশৃংখলা রক্ষণাবেক্ষণে অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করে। সে এলাকার শান্তিপ্রিয় জনসাধারণের মধ্যে ভয়ভীতি ও ত্রাস সৃষ্টি সহ জননিরাপত্তা ও জনশৃঙখলা বিপন্ন করে থাকে। সে একজন অভ্যাসগত মদ্যপায়ী।’
বাঘা থানা পুলিশ জানিয়েছে, আক্কাছের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে থানায় ২২টি মামলা ও ১৭টি সাধারণ ডায়রি আছে। তবে অধিকাংশ মামলা তিনি বাদীকে চাপ প্রয়োগ করে আপোষ করে নিয়েছেন।
বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ সাদিক কবির, আড়ানী পৌর মেয়র মুক্তার আলী জানান, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাতাল হয়ে একাধিক ঘটনার জন্ম দেওয়া আক্কাছ এবার বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলকে হত্যা করলেন। তার সঙ্গে মদতদাতা হিসাবে আছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এক শীর্ষ নেতা ও একজন এমপি। স্থানীয় এমপি শাহরিয়ার আলম তাদের নাম প্রকাশ্যে বলেছেন। নিহতের ছেলেও আক্কাছসহ মদতদাতাদের নাম বলেছেন।
আক্কাছ আলী ২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর জেলা জজ আদালতের নাজিরসহ আদালতের ৬ কর্মচারীকে পিটিয়ে আলোচনায় আসেন। মদপান করে বাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজয় মঞ্চে পুরস্কার বিতরণের সময় টলতে-টলতে এক শিক্ষার্থীর গায়ের উপরে পড়ে যান। ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল বাঘা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক সোহেল আহাম্মেদকে গালাগালি ও হুমকি দেওয়ায় ঘটনায় থানায় জিডি করেন এসআই সোহেল। তিন নারী কাউন্সিলরসহ ৯ জন কাউন্সিলর পৌর ভবনে মদপান করে মাতলামীর জন্য থানায় তার নামে জিডি করেন। উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের এক গৃহবধুকে মাতাল অবস্থায় ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ওই গৃহবধুর মা’ বাঘা থানায় মেয়র আক্কাছ আলীর নামে মামলা করেন।
২০২২ সালের ২১ মার্চ কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে হামলা চালান আক্কাছ ও তার সমর্থকরা। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়। এ বছরের ২২ জুন বাঘা উপজেলা পরিষদ চত্বরের সামনে হামলা চালিয়ে আহত করেন বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলকে। ২৬ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবুল মারা যান। এরপর থেকে আক্কাছ আলী পলাতক।
বাঘা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, পৌর মেয়র আক্কাছ আলীর নামে  বিভিন্ন সময়ে থানায় অনেকগুলো মামলা ও জিডি হয়েছে। বাবুল হত্যামামলায় তাকে পুলিশ খুঁজছে।
তবে আক্কাছ আলী পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বাড়িতেও পরিবারের কেউ নেই। তারাও আত্মগোপনে আছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট