1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব! মনোহরগঞ্জে ২৪তম ইউএনও হিসেবে রিফাত জাহানের যোগদান মনোহরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির বর্ণাঢ্য আয়োজনে মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরগঞ্জের মৈশাতুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মাছের পোনা অবমুক্ত

টঙ্গী-আব্দুল্লাহপুর সংযোগ সেতুতে চাঁদাবাজির রাজত্ব: ভোল পাল্টে ফুটপাত নিয়ন্ত্রণে ক্যাসেট শামীম

নিজস্ব প্রতিবেদক, টঙ্গী:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, টঙ্গী: টঙ্গী-আব্দুল্লাহপুর সংযোগ বেইলি ব্রিজ সংলগ্ন মহাসড়কের ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ চাঁদাবাজির বিশাল সিন্ডিকেট। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক ভোল পাল্টে এই চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করছেন আলোচিত চাঁদাবাজ ‘ক্যাসেট শামীম’। ফুটপাতের আড়াই শতাধিক দোকান থেকে দৈনিক প্রায় ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে, যা মাসে দাঁড়ায় অন্তত ১৫ লাখ টাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্যাসেট শামীম একসময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন সরকারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামিও তিনি। তবে গত ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর তিনি কৌশল বদলে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে সখ্য গড়ে তোলেন এবং পুরোনো চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেইলি ব্রিজ সংলগ্ন ফুটপাত ও মহাসড়কের একাংশ দখল করে প্রায় ২৪০ থেকে ২৫০টি বিভিন্ন ধরনের দোকান বসানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কাপড়ের দোকান, ফলের ও শাকসবজির দোকান, নার্সারি, জুতার দোকান এবং মাছ-শুঁটকির ভাসমান দোকান।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানভেদে দৈনিক ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা গুনতে হয়। নির্দিষ্ট সময়ে চাঁদা না দিলে দোকান তুলে দেওয়া এবং মালামাল ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয় শামীমের ক্যাডার বাহিনী। শুধু এই সংযোগ সেতু এলাকা থেকেই প্রতি মাসে প্রায় ১৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে পুরো সিন্ডিকেটের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা হচ্ছে।

মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে এভাবে ব্যবসা পরিচালনায় যেমন সাধারণ পথচারী ও যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে, তেমনি সরকার পরিবর্তনের পরও চাঁদাবাজির কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। দ্রুত এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত ও চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট