1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কুমিল্লার লাকসামে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার মোটরসাইকেলে ঘোরানোর কথা বলে ৯ বছরের শিশুকে অপহরণ, নির্যাতনের পর কচুরিপানার নিচে ফেলে পালানোর অভিযোগ ডিসি সারওয়ার আলমকে পুনর্বহালের দাবি সিলেট মহানগর জামায়াতের ভোট চোর ও ডাকাতরা সংসদে দাঁড়িয়ে জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি করতে পারে না: ড. ফয়জুল হক হাসনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের পক্ষ থেকে দেলোয়ার হোসেন দেনিসকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গাইবান্ধায় যুবদল নেতার হামলায় নিহত শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর জানাজা সম্পন্ন, এলাকায় উত্তেজনা সিংগাইরে নিখোঁজের ৬ দিন পর স্কুলছাত্রীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ১২০ বছর বয়সেও জীবিকার সন্ধানে বৃদ্ধ কৃষক নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষায় মোমো নারী ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত নাথের পেটুয়া ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল বাকি স্যারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

‘অপরাধ করলে আইন আছে, গুলি করে মারা হবে কেন’

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

পরনে সাদা কাপড়। ঘরে বসে কাঁদছেন এক নারী। ঘরের দরজায় বসে তিন সন্তান। বাড়িতে সবাই আছেন শুধু নেই কামাল। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার জোলাই কুড়িয়াপাড়া গ্রামের ইদু মিয়ার ছেলে কামাল হোসেন। গত সোমবার (৭ অক্টোবর) ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন তিনি। এরপর লাশ নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। একমাত্র আয়ের উৎস কামালের মৃত্যু ভেঙে দিয়েছে একটি পরিবারের সব স্বপ্ন।

গুলিতে নিহত কামালের মরদের ২৭ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার রাতে ফেরত দেয় বিএসএফ।

অপরাধ করলে আইন আছে, গুলি করে মারা হবে কেন? প্রশ্ন তুলে কামালের স্ত্রী জোহরা বেগম বলেন, আমার স্বামী ঘরেই ছিলেন। তাকে লাদেন কামাল নামের একজন ডেকে নিয়ে যান। কিন্তু আমার স্বামী বলেছিল, ‌‘আমি অসুস্থ যেতে পারবো না।’ এখন আমার সন্তানরা এতিম হলো। আমি বিধবা হলাম। যদি আমার স্বামী অপরাধী হয় তাহলে আইন আছে। গুলি করে মারতে হবে কেন? তাকে গ্রেফতার করতো। বা পুলিশের হাতে তুলে দিতো। এক যুগ পরে হলেও সন্তানরা তার বাবাকে পেত। আমি স্বামী হারা হতাম না। কিন্তু তারা আমার স্বামীকে মেরেই ফেললো। আমি এর বিচার চাই।

 

কামালের মেয়ে কামরুন নাহার জাহান শান্তা বলেন, বাবা বিভিন্ন স্থানে পিঁপড়ার বাসা ভেঙে ডিম বিক্রি করতেন। আমার বাবাকে জোর করে সীমান্তে নেয়া হয়েছে। বাকি দুজন ফিরলেও আমার বাবা কেন ফিরলো না। আমাদের বাড়ি থেকে সীমান্ত আড়াই কিলোমিটার দূরে। কিন্তু পাহাড়পুর সীমান্ত ৫ কিলোমিটার। আমার বাবার যদি ইচ্ছাই থাকতো তাহলে তিনি আমাদের বাড়ির পাশে দিয়ে যেতেন। এতদূরে কেন গেলেন। আমার বাবা অন্যায় করলে দেশে আইন আছে। কোন কিছু না মেনে গুলি করে দিবে? মেরে ফেলবে একটা মানুষকে? এটা কেমন বিচার? আমরা এর বিচার চাই।

১০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. ইফতেখার হোসেন বলেন, লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট