নীল আকাশের মায়া ছাড়েনি কখনো দু’জনাকে– নীল সাগরে সৈকত পাড়ে স্মৃতির কায়া হাঁটে, বাতাস কথা বলে সুমিষ্ট সুরেলা আওয়াজে শিশিরের নূপুর বাজনা’ কানে আসে ঝুমুর তালে তালে — তোমার ভাবনা
সেদিন কি বুঝে লিখে ছিলে কবি,” আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি”? এই বদ্বীপে জন্মের পর থেকে আজও কোন সোনার খনি মিলে নাই, মিলে নাই কোন সোনার মানুষ! সিন্ধুর অববাহিকা
দিগন্তের ওপারে দিকশূন্য সূর্য সবুজের বুকে স্নেহভেজা রৌদ্র হাবুডুবু খাওয়া তৃষ্ণার্ত নদীর স্বপ্ন আর অখণ্ড দিন ফুরাবার আগেই আমি একবার, চাই দেখবার বাবা, আমাকে কাঁধে তুলে নাও ঘাতকের হিংস্র চোখ,
সিইউকেপি সাহিত্য সম্মাননা ও অর্থ পুরস্কার-২০২৫ পাচ্ছেন ৭ লেখক। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য ১৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা কবি পরিষদ পুরস্কৃত লেখকদের নাম ঘোষণা করে। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- নাটকে ড.
হে সীমান্তের শকুন এক্ষুনি ছিঁড়ে খাও আমাকে হে আটলান্টিকের ঈগল শিগগির খুবলে খাও আমাকে হে বৈকাল হ্রদের বাজ আঁচড়ে কামড়ে ছিন্নভিন্ন করো আমাকে। আমার রক্তরসে শুধু অসহায়ত্ব আর অভাব; কাগজের
তোমাকে আর পাওয়া হইলো না— তারচেয়ে বড় আক্ষেপ আর হইতে পারে নাহ। এই এক লাইনের ভেতরেই আমার জীবনের অর্ধেক দীর্ঘশ্বাস লুকানো। হাত বাড়ালেই শূন্যতা, নাম ডাকলেই নীরবতা— এভাবেই তুমি ধীরে
আমি সূর্যমুখী ফুলের মতো। আর তুমি সূর্যের মতো। তুমি সকালে পূর্বে উঠলে, আমি পূর্বে চেয়ে থাকি, তুমি দুপুরে আকাশে আমার মাথার উপরে থাকলে আমি মাথা উপর করে দেখি। তুমি পশ্চিমে
দখিনের জানালায় সেদিন রোদ উঠেছিল, নরম আলোর মিঠে ছোঁয়ায় ঘর ভরেছিল। সেই রোদের কোমল স্পর্শ বুকে মেখে, স্বপ্নের সজীব রঙে মন ভরেছিল । শীতের শেষ, বসন্তের আগমনী বার্তা, প্রকৃতির সবুজ
শাদা ডানায় মন্দ্রিত উড়ন্ত পাখির মতো দোলনচাঁপার রাতে পূর্ণিমার সাথে দুলছে আকাশ উড়ছে জোছনার শাদা আঁচল দখিণের দুরন্ত বাতাস স্বপ্নভূক রাতের আকাশে ঢলোঢলো চাঁদের শরীর তরঙ্গায়িত সমুদ্র সাদা মেঘের দিগন্তেরেখায়
গনতন্ত্রের মা,আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আমার আজকের কবিতা। আজকে আমার মা জননী বিছানায় সজ্জাসায়ী কে ছিল এ-র পেছনে বলো কারা ছিল দায়ী? বিনা অপরাধে আটকে জেলে করেছে নির্যাতন