কার চেয়ে কে বড়, কার কত চাই, অন্ধের মতো ছুটে কেটে যায় ঠাঁই। ‘আরো চাই’ প্রতিযোগিতার এক মায়াজালে, মানুষ হারিয়ে যায় গাফলতি-কালে। পশুরও তো ক্ষুধা মেটে, শান্ত সে হয়,
ইদানিং ভাবছি—– তোমাকে উৎসর্গ করবো একটি কবিতা। নাম কী দেওয়া যায়, বলতো? যে নামের ভেতর থাকবে, তোমার চোখের শান্ত বিকেল, তোমার কণ্ঠের নরম বৃষ্টি, তোমার অভিমানের কালো মেঘ। জানো? যতবারই
এখানেই সৌন্দর্য নিহিত যেখানে থাকবে হাসিখুশি মিলে একাকার আমরা সবাই মিলেমিশে যতোই থাকুক মতপার্থক্য এবং ভিন্ন মতাদর্শ মনে। আসুন সমাজ ও দেশটা গড়ি মনের সংকীর্ণতা ও বৈরিতা ভুলে যেমনটি দেই
শোনতে চেয়ো না আর— মেঘের ভাঁজে জমা রেখেছি সমস্ত চিৎকার। জ্যোৎস্নার গোল্লাছুট, চাঁদের অবহেলা নিদ্রাহীন করেছে আমায় নিশিদিন। . জানালায় ঝিঁঝিপোকা শিস দিয়ে যায়, রেখে যায় গত জীবনের সমস্ত ঋণ।
এলোমেলো কিছু শব্দ সাজিয়ে লেখা— কেউ কেউ বলে, এই তো কবিতা দেখা। প্রেম-বিরহ আর ভালোবাসার কথা, বাদ যায় না তাতে কোনো সমসাময়িকতা। সুখ-দুঃখের কত যে উঁকিঝুঁকি মারা হাসি, কেউ ভাবে
প্রভু তুমি সব জায়গায় আছো জানি তাও, পাগল হয়ে তোমায় খুঁজি একটু দেখা দাও। বুকের মাঝে আছো প্রভু জীবন-স্বামী হয়ে, অন্ধ আমি চলছি কেবল মায়ার বোঝা বয়ে। নিখিল জুড়ে তোমার
মুখের কথায় খই ফোটে ভাই, উপদেশ দেওয়া সহজ কত, নিজের বেলায় নিয়ম ফাঁকি, অন্যের খুঁত ধরো শত! যে পথ নিজের চেনা নেইকো, সে পথ অন্যে দেখাও কেন? বুকের ভেতর এক
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমাদৃত ও মাটির কাছাকাছি থাকা এক সমকালীন দেশপ্রেমিক কবি মোঃ রুহুল আমিন একাধারে একজন গভীর নৈতিকতাবোধসম্পন্ন কর্মনিষ্ঠ পেশাদার ব্যক্তিত্ব এবং অন্যদিকে বাংলা সাহিত্যের এক নিভৃতচারী শক্তিমান কবি ও
আমি বাংলাদেশের মাত্রচিত্র! আমাকে মা ডেকে আমার ভুজঙ্গের কাছাকাছি ঊরুভঙ্গ পর্যন্ত তোমার লোলুপ জিহ্বার সাঁতার চলছে অবিরল। আমার তূণ থেকে তৃণ তোমাকে সঁপেছি পুত্র অথচ তুমি অন্তর দৈন্যে- বেছে দিলে
মানুষ এবং জিন জাতিকে সৃষ্টি করলেন খোদা, তাঁরই কেবল ইবাদতে মশগুল রবে সদা। প্রশ্ন জাগে মনে তবে, চব্বিশ ঘণ্টা ধরে, দুনিয়াদারী করব কখন, চলব কেমন করে? উত্তর তার লুকিয়ে আছে