নিশির রঙের জগতে, ঘন অন্ধকারে, ভেসে ওঠে স্মৃতির এক ফোঁটা রোদ্দুর, শহরের গলি বেয়ে বেয়ে ফিরে আসে অলৌকিক কোনো কাহিনী, বয়ে যায় কাল। মনে পড়ে সেই বালিকার হাসি, যার ছোঁয়ায়
সুখী হতে এতো কিছুর নেই প্রয়োজন? জীবন বোধের উপলব্ধি সুখের বড় অর্জন! যেখানে আছে সেখানেই আছ দুঃখ! তোমার অস্তিত্বের কতোটুকু বিশালত্ব আছে? বটবৃক্ষের মতো,পাহাড়ের মতো,নদী, সমুদ্র, চন্দ্র, গ্রহ, নক্ষত্র, সূর্য
আরও অভিযোগ দাও গো আমায় বিষাক্ত করে মনটা থরে বিথরে ভুলে যাও সেই ভালো লাগার ক্ষণটা। আরও অভিযোগ দাও গো আমায় ভুলে যাওয়া সব স্মৃতি নিন্দিত নই তবুও কেন যে
ফেরারী মন কাঁদে যখন, স্মৃতিগুলো অনর্গল ডানা ঝাপটায়, কত কথার কথাকলি বয়ে বেড়ায় বিধুর বাতাস, যা পেয়েছি তা তো কম নয়, না পাওয়া গুলো অন্তহীন স্মৃতি থেকে মুছে যায়, আজকাল
নির্ঘুম চাঁদনী রাত যেন এমনই তবে, নির্জন অতনু রমণের করে সমর্পিত বিনোদিনীর ওই সিথানে, অনায়াসে ছুতে পারা চাঁদ বিনোদিনীর কপোলে উদাসী অবসাদ। স্মরণে মরণফাঁদ হৃদয়ে জেগে উঠা জোৎন্সা কুমারীর, আজন্ম
সৈকত – মিতা, আমাদের কতদিন পরে দেখা হলো? মিতা – ৫৪ বছর ২মাস তের দিন পর। সৈকত – আঁতকে ওঠে, এই কি বল তুমি এ-ই সব! মিতা – এটাই সত্য,
ঘুমিয়ে আছে সারাটা পৃথিবী দুঃখরা কেন যেন একটুও ঘুমায় না নির্ঘুম জেগে থাকে ওরা সারাদিন রাত নীরব সময়ের বুকে। এ যেন এক বিশাল জগদ্দল পাথর চেপে আছে বহুদিন সুখে, কবিতার
বাঁশ-বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই,মাগো আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই?পুকুর ধারে লেবুর তলে,থোকায় থোকায় জোঁনাক জ্বলে,ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে রই,মাগো আমার কোলের কাছে কাজলা দিদি কই?
শুধু ‘৭১ নিয়ে থাকলে হবেনা, শুধু ‘৭১ এর চেতনা নিয়া থাকলে হবেনা থাকতে হবে সেটা নিয়ে যে কারণে ‘৭১ সৃষ্টি হয়েছিলো। ‘৭১ নিশ্চয়ই সৃষ্টি হয়নি দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করার
টুনটুন নামে এক শালিক পাখি ছিল। সে ছিল খুবই চঞ্চল আর দুষ্টু। মনের আনন্দে মাঠের এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াত সারাদিন। মাটিতে যেমন পোকা খুঁজত, তেমনি আবার গাছের ডালে বসে আকাশের দিকে