1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আকাশে তাকিয়ে থাকি -কোহিনূর আক্তার মনোহরগঞ্জে এনসিপির নতুন কমিটি নিয়ে অসন্তোষ, ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি মনোহরগঞ্জে আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাটি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারের সংবাদ সম্মেলন মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ১৩১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মোবারক, সম্পাদক মেহেদী মনোহরগঞ্জে আলীনকিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত অস্ত্রের মহড়ার টিকটক ভিডিও: মনোহরগঞ্জে কিশোর গ্যাং লিডার গ্রেফতার মনোহরগঞ্জে শিক্ষিকার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন। মনোহরগঞ্জে সন্ত্রাস নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা।

ছোট গল্প – প্রাচীর –মুখসিনা খানম

এম.এ.মান্নান.মান্না
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে
সৈকত – মিতা, আমাদের কতদিন পরে দেখা হলো?
মিতা – ৫৪ বছর ২মাস তের দিন পর।
সৈকত – আঁতকে ওঠে, এই কি বল তুমি এ-ই সব!
মিতা – এটাই সত্য, আমার বিশ্বাস ছিলো, মরে যাওয়ার আগে আমাদের একবার দেখা হবে।
এর মধ্যে কতবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি কিন্তু আমার মনে হতো, যত কিছুই হোক, আমি বেঁচে যাবো! মৃত্যুর পরে কী পাব সেটা সৃষ্টিকর্তা জানেন কিন্তু মৃত্যুর আগে একবার দেখা হবে এটা থেকে তিনি বঞ্চিত করবেন না।
সৈকত – তোমার এ চাওয়াটা খুব জোরালো ছিলো তাই তিনি পূর্ণ করেছেন।
মিতা- নিঃশব্দে তাকিয়ে আছে সীমাহীন শরতের নীলাকাশ পানে।
সৈকত – আমাদের পরিচয় কিভাবে হয়েছিলো তোমার মনে আছে?
মিতা – খুব আছে, আমরা কয়েকজন মিলে বিমল স্যারের কাছে হায়ার ম্যাথ পড়তাম। ছেলে এবং মেয়ে একসাথেই একটা বড় গোল টেবিলে বসতাম। বিমল স্যার বসতেন না। ঘুরে ঘুরে সবার অংক করা দেখতেন।
এই দেখাতেই স্যার বুঝে নিতেন কার কি সমস্যা! সেটা স্যার এতো চমৎকার সহজ সরল ভাবে বুঝিয়ে দিতেন, আমার মনে হতো, ম্যাথ হলো পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ বিষয়!
সৈকত – হুম
মিতা- একদিন হঠাৎ দেবলোক থেকে এক সৌমকান্তি দেবতা তার পুত্রকে নিয়ে হাজির বিমল স্যারের ক্লাসে! এসে পরিচয় দিলেন, আমি আপনাদের শহরে নতুন এসেছি। নতুন ডিস্ট্রিক্ট জাজ! বিমল স্যার দেবতাকে যথাযথ সম্মান জানিয়ে হাত মিলালেন।
দেবতা বললেন, আমার একমাত্র ছেলে, সাইন্স নিয়ে পড়ছে। ছাত্র মোটামুটি ভালো। আমি এখানে এসে আমার লোকদের ভালো অংকের শিক্ষকের সন্ধান দিতে বললাম। সবাই আপনার কথা বললো, তাই নিয়ে এলাম মহাশয়, আপনি মেহেরবানী করে আমার ছেলেটাকে পড়াতে অসম্মতি জানাবেন না। সৈকত আপনার কথা মান্য করে চলবে। বিমল স্যার মৃদু হেসে বললেন, আপনি দেখি সব খবর নিয়ে এসেছেন। আমরা সবাই বিদ্যুৎ চমকের মত এক ঝলক দেখে নিলাম। মনেমনে ভাবলাম, বাপরে মানুষ এতো সুন্দর হয় কেমন করে? এতো বৌদ্ধর ছেলে কোনাল!
সৈকত – তোমাকেও আমি সেদিন এক ঝলক দেখেছিলাম। অপূর্ব এক রূপকথার পরী!
কিন্তু বিশ্বাস করো
আমি তখন তোমাকে মনে রাখিনি!
মিতা- জানি——
তারপর এক জীবন থেকে অন্য জীবনে,
আমাদের মাঝে একটা প্রাচীর গজালো,
ভীষণ সে প্রাচীর,অভিমানের পাথরে গড়া
সে প্রাচীরটার ব্রেকাপ হলো না।
সৈকত – আমাকে সেদিন ক্ষমা করতেই পারতে।
মিতা – এ প্রসঙ্গ থাক। পৃথিবীর কোনো কিছুই কোনো কিছুর মতো হুবহু এক রকম
নেই।
এটাই সৃষ্টিকর্তার মৌলিকত্ত। আমাকে আমার বিশ্বাস এবং সস্কারের সাথে কম্প্রোমাইস না করার এ মন তিনি দিয়েছেন!
আজ তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম।
এ কথা বলে মিতা উঠে দাঁড়ালো,
বলল, চলো সন্ধ্যা হয়ে এলো
তোমাকে এক কাপ মটকা চা খাওয়াবো।
(রূপনগর আবাসিক

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট