
প্রতিবাদ করতে আর ভালো লাগে না,
কারণ এই দেশে চিৎকার করলেও
বিচারের দরজা অনেক সময় বন্ধই থাকে।
আইনের চোখে যেন ঘুম জমে আছে,
আর অন্যায়ের মুখে লেগে থাকে হাসি।
রোজ খবরের পাতায় রক্তের দাগ,
রোজ ছোট ছোট শিশুর কান্না—
তবুও শহর চুপ,
মানুষ চুপ,
বিবেক চুপ।
আট বছরের রামিসা,
একটা ফুলের মতো শিশু,
কত স্বপ্ন ছিল তার ছোট্ট চোখে।
কিন্তু এক নরপিশাচ ধর্ষণ করে,
ধারালো ছুরির আগাতে
তার শ্বাস কেড়ে নিলো নিষ্ঠুর হাতে।
কিভাবে পারে মানুষ
একটা শিশুর গলা কেটে ফেলতে?
কিভাবে পারে পাশের বাড়ির পরিচিত মুখ
এত ভয়ংকর অন্ধকার হতে?
আমি খবর পড়ি আর কাঁপি,
কারণ আমারও পাঁচ বছরের একটা মেয়ে আছে।
ও যখন হাসে,
আমার বুকের ভেতর ভয় জন্ম নেয়—
এই সমাজে ওকে কিভাবে বড় করবো?
স্কুলে পাঠালেও ভয়,
বাইরে খেলতে দিলেও ভয়,
মানুষ চিনতেও ভয় লাগে আজকাল।
এই দেশ কি আর শিশুদের জন্য নিরাপদ আছে?
নাকি আমরা শুধু
অপেক্ষা করছি পরের শোকবার্তার জন্য?
তবুও আমি চাই—
একদিন বিচার জাগুক,
মানুষ জাগুক,
আর কোনো বাবার বুক
এভাবে আতঙ্কে না কাঁপুক