অবনত মস্তকে মেনে নিবো।
দাও!
যে কোন শাস্তি আমায় দাও।
আমার সারে তিন হাত মাটির স্বাধীনতা আমি কিছুতেই ছেড়ে দিবোনা।
আমকে যদি ফাঁসি দাও?
তবে তাই হোক!
দ্বীপান্তর কালাপানি কিংবা
আজীবন কারাবাস!
নতমুখে শাস্তিগুহার ভেতর মাথা নোয়াবো হাজার বার।
তবু্ও কারো হাতে তুলে দেবো না
আমার সারে তিন হাত ভুমির, মানচিত্র।
আমার পতাকা।
আমার স্বদেশ।
আমার স্বপ্ন!
যতো বার নিগৃহীত হবে মানবতা ততো বার তুলে নিবো ধারালো তরবারি।
প্রতিহত করবো পরাধীনতার শিকল।
নব প্রজন্ম পরম্পরায় রক্ষা করবে যুগে যুগে প্রিয় স্বদেশ।
রক্ষা করবে সারে তিন হাত মানচিত্র।
আবার যুদ্ধের দামামা বাজুক।
তলোয়ারের ঝনঝনানি রক্তাক্ত হোক!
বিশ্ব বিবেকের দ্বার উন্মোচিত হউক।
বিস্ময়ে হতবাক হবে প্রতিটি বিশ্ব মানবতার সুক্ষ্ম নিউরন।
তবু্ও তোমরা হেরে যাবেনা হে,
নতুন প্রজন্ম।
নব উদ্যোমে গড়বে নতুন ইতিহাস গড়বে নতুন করে দেশের ভীত!
বাঘের ধাতব নখের আঁচড়ে আঁকবেনা মানচিত্র।
বিক্রি হবেনা স্বপ্ন।
স্বাধীনতা!
পতাকা!
রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা
প্রয়োজনে বীরের জাতি বার বার রক্ত ঢেলে রক্ষা করবে পতাকা, দেশের মাটি।
নীল গগনতলে পতপত করে উড়বে নিজের পতাকা সগৌরবে।
কপাল ভিজে যাবে রক্তঘামে।
অবিশ্রান্ত ঝিঁঝি পোকার ডাক।
ডালিম গাছের রক্তলাল ফুল।
পূর্নিমার ঝলমলে জোৎস্না রোদ্দুর পথ দেখাবে নতুন করে।
আবার হাসবে চাঁদ।
কোকিলের মাদকতা মেশানো কুহূতান।
গাঢ় লাল গোলাপ, হাস্নাহেনার সৌরভ ছড়াবে তোমাদের প্রশান্তি দেয়ার তাগিদে।
কখনো আপোষ নয়।
এই মাটি মানুষ সবাই কে রক্ষা করবে এই হোক আজকের অঙ্গীকার!
রেখা