1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন

শেরপুরে হত্যার ঘটনার জন্য প্রশাসনের ভূমিকা দায়ী : জামায়াত

অনলাইন ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমের হত্যার ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আমরা অবিলম্বে শহীদ রেজাউল করিমের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করছি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। এ সময় ১১ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এহসানুল মাহবুব বলেন, গত এক সপ্তাহে অনেকগুলো দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শেরপুরের ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলার সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি আসনের প্রার্থীদের নিয়ে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর অব্যাহত উস্কানির কারণে ১১ দলীয় জোট ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে একদল সন্ত্রাসী কুপিয়ে হত্যা করে।

তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন বিএনপি নেতাদের রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলেও তারা অস্বীকৃতি জানায়। প্রশাসনের সহযোগিতা না পেয়ে জামায়াত প্রার্থী সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে নেতাকর্মীদের নিয়ে বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠি এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পরে। তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে জামায়াত নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে উত্তর পশ্চিম দিকে চলে যান। পেছনে পড়ে যান জামায়াতের শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল করীম। তাকে একা পেয়ে কুপিয়ে আহত করে রেখে যান বিএনপি নেতাকর্মীরা। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা ও গুরুতর আহত তিনজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি পুরো ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রথম অবস্থায় পুলিশ সহযোগিতা করলে ঘটনা ঘটতো না সেটা না করে তারা দর্শকের ভূমিকা পালন করে।

তিনি বলেন, গত এক সপ্তাহ সারাদেশে জামায়াতের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হয়েছে। নারীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। প্রশাসনকে বার বার জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই। প্রশাসনের এক পাক্ষিক আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা বলতে চাই, প্রশাসন তাৎক্ষনিক হস্তক্ষেপ করলে এ ঘটনা ঘটতো না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট