1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মোটরসাইকেলে ঘোরানোর কথা বলে ৯ বছরের শিশুকে অপহরণ, নির্যাতনের পর কচুরিপানার নিচে ফেলে পালানোর অভিযোগ ডিসি সারওয়ার আলমকে পুনর্বহালের দাবি সিলেট মহানগর জামায়াতের ভোট চোর ও ডাকাতরা সংসদে দাঁড়িয়ে জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি করতে পারে না: ড. ফয়জুল হক হাসনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের পক্ষ থেকে দেলোয়ার হোসেন দেনিসকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গাইবান্ধায় যুবদল নেতার হামলায় নিহত শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর জানাজা সম্পন্ন, এলাকায় উত্তেজনা সিংগাইরে নিখোঁজের ৬ দিন পর স্কুলছাত্রীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ১২০ বছর বয়সেও জীবিকার সন্ধানে বৃদ্ধ কৃষক নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষায় মোমো নারী ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত নাথের পেটুয়া ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল বাকি স্যারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে গিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, ফার্মেসি মালিক গ্রেপ্তার

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডের রায় লেখা হয় আইন মন্ত্রণালয়ে: হুম্মাম

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডের রায় ট্রাইব্যুনালে নয়, বরং আইন মন্ত্রণালয়ে লেখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সাকা চৌধুরীর বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি।

হুম্মাম জানান, শেখ হাসিনার লক্ষ্য ছিল তার বিরোধীদের সরিয়ে দেওয়া। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী তার আক্রোশের শিকার। গুম, খুন, হত্যা করে টিকে থাকাই ছিল হাসিনার উদ্দেশ্য।

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে সাক্ষী দেওয়ার জন্য বিদেশ থেকে চারজন আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সে সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ষড়যন্ত্র করে তাদের দেশে আসতে বাধা দিয়েছিল বলেও জানান হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

এ বিষয়ে আগামী রবিবার পরিবারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

হুম্মাম কাদের চৌধুরী আরও বলেন, “মুনীব আরজমন্দ খান, অ্যাম্বার হারুন সাইগল, ইসহাক খান খাকওয়ানি এবং রিয়াজ আহমেদ নূন—এই চারজন ১৯৭১ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের বাবার সহপাঠী ছিলেন। তারা প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ছিলেন। যদি তাদের বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতো এবং তারা সাক্ষ্য দিতে পারতেন, তাহলে তারা বাবাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারতেন।”

একাধিকবার ট্রাইব্যুনালে এবং সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার পরও তাদের দেশে প্রবেশের অনুমুতি দেওয়া হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, “এমনকি আমরা আমাদের বাবাকে হত্যা করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তাদের আনতে শেষ চেষ্টা করেছি।”

সালাউদ্দিন কাদেরের বিরুদ্ধে যারা সাক্ষী দিয়েছেন, তাদের ওপর মব জাস্টিস না করার আহ্বান জানিয়ে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, “কক্সবাজারে আমার বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়া একজনকে মারধর করার ঘটনা ঘটেছে। এটি যেন আর না করা হয়। তারাও বাংলাদেশের নাগরিক, তাদেরও অধিকার আছে বাঁচার।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট