
আদালত প্রতিবেদক: রাজধানীর মগবাজারের স্বনামধন্য আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সরকারি নোটিশের প্রকৃত তথ্য ও এর আইনি দিক নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এনেছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। সরকার যে নোটিশের মাধ্যমে আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে, তা মূলত সম্পূর্ণ হাসপাতালের জন্য নয়, বরং কেবল অবহেলাজনিত কারণে শিশু মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে হাসপাতালটির ‘প্যাথলজি ডিপার্টমেন্টের’ লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
আজ (১২ জুন) মামলার নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টস প্রকাশ করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিযুক্ত প্রধান আইনজীবী শিশির মনির।
আইনজীবী সূত্র জানায়, গণমাধ্যমে পুরো হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়টি যেভাবে এসেছে, নোটিশের মূল বক্তব্য আসলে তা নয়। অবহেলাজনিত একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শুধুমাত্র প্যাথলজি বিভাগের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা এসেছে। আইনি বিশ্লেষকদের মতে, এই নোটিশ জারির ক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্যে বড় ধরনের ভুল বা অসংগতি থাকতে পারে।
আইনি বিধি মোতাবেক, সরকারের এই আদেশের বিরুদ্ধে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই অন্যায্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আপিল দায়ের করার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে।
দেশের জটিল ও স্পর্শকাতর মামলাগুলো অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতার সাথে পরিচালনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনিরের বিশেষ সুনাম রয়েছে। এর আগেও বহু ক্রুশিয়াল ও গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আইনি মারপ্যাঁচে তিনি সফলতার পরিচয় দিয়েছেন।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের মামলাটির দায়িত্বও তাঁর কাঁধে থাকায় হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা বেশ ফুরফুরে ও আত্মবিশ্বাসী মেজাজে রয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, সরকারের কোনো হীন উদ্দেশ্য বা একঘেয়েমি না থাকলে, আইনজীবী শিশির মনিরের তুখোড় ও স্মার্ট আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুতই আদ-দ্বীন হাসপাতাল এই মামলায় বিজয় লাভ করবে এবং প্যাথলজি বিভাগের জটিলতার অবসান ঘটবে।