
পুত্র ডাকিয়া মরণ কালেতে উমর শুধায় আশা
দুই বন্ধু’র পাশে যদি হয় মোর কবরের বাসা!
যেই উমরের ভয়েতে কাঁপতো অর্ধ জাহান সবে
রাসূল পার্শ্বে চাইতে কবর আকুতি তাহার তবে!
পুত্র যাওতো আর দেরি নয় এখনি আর্জি নিয়ে
যেথা উম্মুল মোমেনীন আছে জানাও তাহারে গিয়ে।
আমিরুল কীবা মোমেনীন নাম বোলোনা সেথায় তারে?
আজি আমি বড়ো দয়ার প্রার্থী তাহার হৃদয় ধারে ।
আগে দিবে গিয়ে সালাম আমার সম্মানে তার কাছে
তারপর সেতো যাইবা বলুক ভাগ্যে যে তাই আছে।
পুত্র ঠিকটি সালাম জানিয়ে ডাকে নির্দেশ মতো
আয়শা তখন উমর ব্যথায় ছিলেন কান্না রত।
পুত্র বলিলো আমিরুল কীবা মোমেনীন কেউ নয়!
আমার আব্বা দিছেন সালাম যদি কোনো দয়া হয়!
গ্রহণ করেন আর যদি দেন কবর এখানে তার
তবে পিতা মোর খুশি হন খুব এখন যা ক’ন আর?
আয়শা শুনিয়া নীরব হইয়া বলে মোর ছিলো মনে
রাসূল আর ঐ পিতার পাশের কবর আমার কোণে।
এই কথা আমি এতদিন ধরে ভাবিয়া এসেছি তবে?
উমর ছিলোতো প্রিয় রাসূলের স্মরণ রাখতে হবে।
উমর যখন নিজের কবর এমনি এখানে চায় ?
কেমন করিয়া আমি যে আয়শা ফেরাবো তাহারে হায়!
জীবন পথটি তাঁরা তিনজন একসাথে গেছে বেয়ে
উমর কে তাই অগ্রাধিকার দিলেন নিজের চেয়ে।
আয়শার সেই অনুমতি পেয়ে খুশি উমরের ভাব
আল্লাহ্ মহান শোকর তাঁহার এর চেয়ে নেই লাভ।
ছিলোনা চাওয়া আরতো কিছুই পেলো সবে পরে টের
গেলেন ছাড়িয়া খলিফা ওপার কাঁদলো ভুবন ঢের।
কাঁদলো সকল বিয়োগ ব্যথায় কাঁদলো সকল ধার
রাসূল পত্নী হাফসা কাঁদছে পিতা নাই তার আর।
লাশটি সকলে রাখলো আনিয়া আয়শার নিজ ঘরে
দুই বন্ধু’র পাশে ঠিক তার কবর রচনা তরে।
এমনে আয়শা উমর দিলেন একে আর জনে মান
পদবী গোপন করে একজন অন্যে কবর দান!
তাইতো ধরণী করলো সালাম এই দুজনার তরে
আল্লাহ্ হাসেন দেখিয়া তখন আরশ আযীম পরে ।