1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব! মনোহরগঞ্জে ২৪তম ইউএনও হিসেবে রিফাত জাহানের যোগদান মনোহরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির বর্ণাঢ্য আয়োজনে মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরগঞ্জের মৈশাতুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মাছের পোনা অবমুক্ত

টঙ্গী ফ্লাইওভারের গেট বন্ধ — স্থায়ী সমাধান নয়, বিকল্প নিরাপত্তা প্রয়োজন

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৩৯ বার পড়া হয়েছে
টঙ্গী পূর্ব থানার উদ্যোগে টঙ্গী ফ্লাইওভারের বাটা গেট সংলগ্ন নামা ও ওঠার পথ এবং আশরাফ সেতু সংলগ্ন ওঠানামার পথ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগটি নিরাপত্তাজনিত কারণে নেওয়া হলেও তা কোনো স্থায়ী বা বাস্তবসম্মত সমাধান নয় — বরং এতে নতুন ধরনের ভোগান্তির সৃষ্টি হতে পারে।
প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই পথ দিয়ে চলাচল করে। অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে এসে প্রথমবারের মতো এই এলাকায় নামে, তারা পরিস্থিতি না বুঝেই হঠাৎ জরুরি মুহূর্তে বিপদের মুখে পড়ে যেতে পারে। দিক নির্দেশনা না জানা যাত্রীদের এমন অবস্থায় দৌড়ানোর বা নিরাপদে সরে যাওয়ার কোনো পথ খোলা থাকবে না। এতে ছিনতাইয়ের ঝুঁকি যেমন কমবে না, বরং মানুষ আরো অসহায় হয়ে পড়বে। তাই গেট বন্ধ করা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়, বরং নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় অবহেলিত থেকে যাচ্ছে—
১. সিসিটিভির আওতায় আনা:
এই এলাকার প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ স্পটে উচ্চমানের সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। পুলিশ যেন সরাসরি মনিটরিং করতে পারে এমন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত। এতে কোনো অপরাধ ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।
২. পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা:
রাতের অন্ধকারে ছিনতাই ও হত্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই বাটা গেট, আশরাফ সেতু ও ফ্লাইওভার সংলগ্ন প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত লাইটিং নিশ্চিত করতে হবে। উজ্জ্বল আলোকসজ্জা অপরাধীকে নিরুৎসাহিত করবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ অনুভব করবে।
৩. ২৪ ঘণ্টা পুলিশ টহল:
গেট বন্ধ রেখে সমস্যার সমাধান করা যাবে না, বরং নিয়মিত ২৪ ঘণ্টা পুলিশ টহল চালু করলে অপরাধ কমবে। পুলিশ উপস্থিতির কারণেই অপরাধী দলগুলো আসতে ভয় পাবে।
যদি এই তিনটি ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে, বিনা ভয়ে দিন-রাত চলাচল করতে পারবে। গেট খুলে দিলে মানুষের স্বাধীন চলাচল যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি অপরাধ দমনেও আসবে স্থায়ী সমাধান।
তাই আমরা আশা করি, গেট ভেঙে প্রতিরোধমূলক এই ব্যবস্থাগুলো দ্রুত গ্রহণ করা হবে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক সংগঠনসহ সবাইকে গুরুত্বসহকারে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
আপনারাও আপনাদের মতামত তুলে ধরুন, সচেতনতার জন্য শেয়ার করুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট