1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ভোট চোর ও ডাকাতরা সংসদে দাঁড়িয়ে জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি করতে পারে না: ড. ফয়জুল হক হাসনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের পক্ষ থেকে দেলোয়ার হোসেন দেনিসকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গাইবান্ধায় যুবদল নেতার হামলায় নিহত শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর জানাজা সম্পন্ন, এলাকায় উত্তেজনা সিংগাইরে নিখোঁজের ৬ দিন পর স্কুলছাত্রীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ১২০ বছর বয়সেও জীবিকার সন্ধানে বৃদ্ধ কৃষক নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষায় মোমো নারী ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত নাথের পেটুয়া ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল বাকি স্যারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে গিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, ফার্মেসি মালিক গ্রেপ্তার ​”মোহভঙ্গ ও ট্রানজিট লাউঞ্জ”– “ফিরোজ আলম” লাকসামে যাত্রী সেজে অটোরিকশা চুরি: চালকসহ আটক ১, থানায় মামলা

প্রকৃত আসামি ছাড়া কাউকে হয়রানি করা হবে না : ডিএমপি

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেছেন, আমাদের কাছে সুস্পষ্ট নির্দেশনা আছে যে, মামলায় যারা প্রকৃত অর্থে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে অযথা হয়রানি করা হবে না।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তালেবুর রহমান বলেন, প্রতিটি মামলার একটি তদন্ত প্রক্রিয়া রয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে কাউকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসি। এখন যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা একাধিক থানায় থাকে, তাহলে অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এক্ষেত্রে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য বিশ্লেষণ করে কারো যদি সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়, তখনই তাকে গ্রেফতারের আওতায় আনা হয়। কাউকে অযথা হয়রানি বা ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না।

রাজধানীতে বেশ কিছু অপ্রীতকর ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে হত্যা ও ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা বেড়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের কাজের প্রক্রিয়া দুই ধরনের। একটি হলো প্রিভেন্টিং পুলিশিং, আরেকটি হলো ডিটেকটিভ পুলিশিং। আমাদের চেষ্টা থাকে সমাজ থেকে অপরাধকে যতটুক পারা যায় মিনিমাইজ করে রাখা। এক্ষেত্রে আমাদের বেশ কিছু কৌশলও রয়েছে,‌ কৌশলগুলো আমরা প্রয়োগ করছি। ঢাকা শহরে প্রায় দুই কোটি মানুষের বসবাস। এক্ষেত্রে কিছু ঘটনা ঘটতে পারে এবং অনেক সময় ঘটে যায়। সেই ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর আমাদের কিন্তু গোয়েন্দা পুলিশিংয়ের একটি ব্যবস্থা রয়েছে। যখন একটা ঘটনা ঘটে, ঘটনার কারণ কী এবং অপরাধীদের চিন্তা কী, এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে আমরা অভিযুক্তদের‌ আইনের আওতায় নিয়ে‌ আসি।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট