1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কুমিল্লার লাকসামে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার মোটরসাইকেলে ঘোরানোর কথা বলে ৯ বছরের শিশুকে অপহরণ, নির্যাতনের পর কচুরিপানার নিচে ফেলে পালানোর অভিযোগ ডিসি সারওয়ার আলমকে পুনর্বহালের দাবি সিলেট মহানগর জামায়াতের ভোট চোর ও ডাকাতরা সংসদে দাঁড়িয়ে জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি করতে পারে না: ড. ফয়জুল হক হাসনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের পক্ষ থেকে দেলোয়ার হোসেন দেনিসকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গাইবান্ধায় যুবদল নেতার হামলায় নিহত শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর জানাজা সম্পন্ন, এলাকায় উত্তেজনা সিংগাইরে নিখোঁজের ৬ দিন পর স্কুলছাত্রীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ১২০ বছর বয়সেও জীবিকার সন্ধানে বৃদ্ধ কৃষক নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষায় মোমো নারী ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত নাথের পেটুয়া ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল বাকি স্যারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মনোহরগঞ্জে সাপ্তাহজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছায়নি সহায়তা

জিএম আহসান উল্লাহ:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

জিএম আহসান উল্লাহ: কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় উজান থেকে ধেয়ে আসা পানির চাপ বাড়তে থাকার পাশাপাশি অনবরত বৃষ্টির ফলে মনোহরগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। এতে উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যেই বন্যার পানি বেড়েছে। উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকাগুলোয় সরকারি–বেসরকারি কোনো ত্রাণই এখন পর্যন্ত পৌঁছায়নি। ফলে এলাকার বন্যার্ত মানুষ সীমাহীন কষ্টে দিন যাপন করছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার উজালা রানী চাকমা জানান,
উপজেলার সবকয়টি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত। এসব এলাকার ৬০ টির অধিক আশ্রয়কেন্দ্রে এরই মধ্যে ৬ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। বন্যায় পানিবন্দী হয়ে আছেন উপজেলার ৩ লক্ষ মানুষ।

বন্যার্ত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে ১১ টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি এলাকা হাঁটু থেকে কোমর সমান পানিতে ডুবে আছে। সড়কগুলো তলিয়ে গেছে পানির নিচে। বন্যার পানির কারণে গোটা উপজেলার বাসিন্দারাই পানিবন্দী অবস্থায় নিদারুণ কষ্টে দিন যাপন করছেন। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্ত মানুষের ভিড়।
প্রত্যন্ত অঞ্চলের বন্যার্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার যেসব সড়কে তুলনামূলক বন্যার পানি কম ওই সব এলাকার নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে এবং বাসাবাড়ির লোকজন কমবেশি সরকারি–বেসরকারি ত্রাণ পাচ্ছেন। কিন্তু দুরবর্তী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামের বেশির ভাগ বাসিন্দা সহায়তা পাননি। বন্যার পানি বেশি হওয়ায় তাঁদের কাছে কেউই ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছেন না।

উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান বলেন, পুরো এলাকা হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে ডুবে আছে। গতকাল রাতের বৃষ্টিতে পানি আরও বেড়েছে। মনোহরগঞ্জ-হাসনাবাদ সড়কের ওপর হাঁটুসমান পানি কোথায়ও কোথায়ও আরো বেশি। ব্যক্তিগত ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর উদ্যোগে কিছু পরিবারকে ত্রাণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু এলাকায় অনেক পরিবার রয়েছে, যারা চার-পাঁচ দিন ধরে সামান্য শুকনা খাবার খেয়ে আছেন। কেউ কেউ আছেন না খেয়ে।
উপজেলার সরসপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, তাঁদের বাড়ির কাছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাশের একটি মাদ্রাসায় প্রায় ৫০০ বন্যার্ত মানুষকে আশ্রয় দিয়েছেন তাঁরা। এত দিন চাঁদা তুলে তাঁদের দুই বেলা খাবার দিয়েছেন। আর খাবার দেওয়ার মতো টাকাও তাঁদের কাছে নেই। অনেক বাড়ির বাসিন্দা এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। কোথায়ও যাওয়ার মতো জায়গা নেই তাঁদের। তাই ওই এলাকাতে দ্রুত ত্রাণসামগ্রীর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট