শীতকাল আসে অসহায়ের কষ্টের কারণ হয়ে, হাড় কাঁপানো শীতের সময় কেমনে যাবে সয়ে? প্রচণ্ড কুয়াশায় ঢাকা আমার প্রিয় দেশ, বস্ত্রহীনা পথশিশুদের কষ্টের নেইতো শেষ। গৃহহীনা এতিম অনাথ দেখার কেহ নাই,
চেন্নাই শহরের প্রখ্যাত শিল্পপতি সুধীর চৌধুরী আজ হাসপাতালের বেডে মৃ’ত্যুর মুখে শুয়ে আছেন। তাঁর হার্টে এমন জটিল ব্লকেজ ধরা পড়েছে, যা আর কোনো অপারেশনেই সারানো সম্ভব নয়। দেশের নামজাদা হার্ট
ভুলে যেও না, আমার অস্তিত্বে জড়িয়ে থাকা সেসব ক্ষতচিহ্ন, যা তোমার শ্বাসের স্পর্শে একদিন মুছে গিয়েছিল। আমার চোখের সেই গভীর নীল, যেখানে একসময় তোমার স্বপ্নেরা বাসা বেঁধেছিল। তোমার ওষ্ঠের আভাসে
তুমি নেই— মানে পৃথিবীর কোনো ক্ষতি হয়নি। সূর্য ঠিকই উঠেছে, আকাশ তার নীল রং বদলায়নি, পাখিরা সকালবেলায় তোমার অনুপস্থিতির খবর না জেনেই ডানা মেলেছে। তুমি নেই— মানে খবরের কাগজে
তুমি আমার নীরব নক্ষত্র! আলো জ্বেলে রাখো,দিবানিশি। তোমার নরম আলোয় মাখামাখি আকাশ নদী। প্রতিটি নীরব রাতে চাঁদের স্নিগ্ধতার মতো আমার বিছানা অব্দি পৌঁছে যায় তোমার আলো। আমি সেই কোমল আলোতে
তোমার আর আমার বিস্তর ব্যবধান তুমি ব্যস্ততম শহরের এক ব্যস্ত রোবট ! আর আমি গহীনে দাঁড়িয়ে থাকা এক কঠিন পিরামিড !! দুর থেকে দিব্য চোখে দেখছি তোমায় তুমি জ্বলছো অন্তরের
শ্রমজীবী মেহনতির মৌলিক অধিকার স্পর্শকাতর,অনুভূতির প্রগাঢ় তপ্ত মরু-অঞ্চল— শ্রম বিনিয়োগের ফলশ্রুতিতে জীবনধারা আনুষাঙ্গিক গতিপথে নিত্য প্রবাহমান। খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠীর ‘যাপিত জীবন’ মূল স্রোতের ধারায় নিষ্প্রভ তলানিতে, নৈমিত্তিক আহার জোগাড় যাদের
‘২৪ সম্ভব হয়েছে ‘৭১ হয়েছে বলে তাই ‘৭১ কে খাটো করে ‘২৪ কে মাথায় তুলতে পারিনা কারণ ‘৭১ দিয়েছে আমাদেরকে আলাদা আইডেন্টিটি। তাই বলবো কথা একটাই ‘৭১ বলি আর ‘২৪
এখানে হৃৎপিন্ড ছিল,ফুসফুসের বিশুদ্ধ বাতাস শীতলক্ষ্যার স্বচ্ছ স্রোতে মসলিনের রেশম তন্তুজ। এলোমেলো শতাব্দীর ঘরে শৌর্য বীর্যের খাম অযোধ্যার গন্ধমাখা মসলিন নগরী পানাম। নক্ষত্র ছিলো মহাজাগতিক ঘড়ির কাঁটায় ঈসা খাঁ’র তুর্কী
আমি কবি — কাজী নাছিমা সাথী আমি কবি বাস্তব বাদী কবি আমি লেখার মাধ্যমে তুলে ধরি মানুষ ও সমাজের ছবি। আমি লেখা – লেখি করি -এটা বিধাতা কর্তৃক প্রাপ্তি কৃতজ্ঞ