আমি কবি — কাজী নাছিমা সাথী আমি কবি বাস্তব বাদী কবি আমি লেখার মাধ্যমে তুলে ধরি মানুষ ও সমাজের ছবি। আমি লেখা – লেখি করি -এটা বিধাতা কর্তৃক প্রাপ্তি কৃতজ্ঞ
বাঙালির জীবনাচার তোষামোদ মার্কা চরিত্রের, লোভনীয় ঢঙ্গে পরচর্চায় তুষ্ট হওয়ার স্বভাব। ঘরেবাইরে অফিস আদালতে সর্বত্র সকল কর্মকান্ডে আনুতোষিক পারিতোষিক উপরি নিয়ে দিয়ে নিজের অনুকূলে কাজ হাঁচিল করতে দারুণ ভাবে অভ্যস্ত,এককথায়
সবাই সবার তরে বাঁচি নিঃশ্বাসে নিরলস বিশ্বাস, মূলে রয়েছে গুপ্ত ফাঁকি স্মরণের পানে ওঠে নাভিশ্বাস। সত্য কথায় রয়েছে মহাপাপ জগতে সদা প্রচলিত নিয়মে, কদাচিৎ হবে না কখনো মাপ আসল নকলের
খাবার টেবিলে বসে মার দিকে তাকিয়ে চোখে ইশারা করলাম আমার কথাটা বাবাকে বলতে। মা ভয়ে ভয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে বললো, রাকিব ১০ হাজার টাকা চেয়েছিলো। ওর বন্ধু বান্ধবরা মিলে কয়েকদিনের
পরম প্রিয় দাদির ছিল আদর মাখা মুখ, দেখলে দাদির সোনা মুখটা পেতাম মনে সুখ। দাদির সাথে খুব আদরে ছোট বেলা কাটে, দাদির হাতটা ধরে যেতাম ফসল ভরা মাঠে। গাঁয়ের বাড়ি
হয়তো আমিও একদিন হারাবো ভীষণ আঁধারের কুঞ্জটিকায় ! অন্তর্লীন হবো কুয়াশা জড়ানো স্বপ্নের ভেতর ! জন্মের আগেই যেই প্রতিশ্রুতি স্বাক্ষরিত হয়েছিল চিরন্তন নিয়মে। পৃথিবী টা তখনও ঘুরবে সূর্যকে ভালোবেসে। তখনও
ছোট্ট নদী মেঘ-পাহাড়ের বুক ছুঁয়ে সুঠাম নীলের স্পর্শে নিতান্ত অক্লেশে সমুদ্র পরিসংখ্যানবিহীন অগুনতি ঢেউ প্রেমের সৈকত বিশাল তোমার বুকের ‘পর। হলুদ নদীর বনে নীড়ে ফিরে সন্ধ্যার পাখি জ্যোৎস্না নামে ঝাউ
কথা বলতে কারো সাথে ইচ্ছে করে না কেন এমন হয় সেটাও আমি জানি না, একাকী চুপ থাকতে কেবল ভালো লাগে গাছ কে খুব বেশি আপন আপন লাগে। ইনবক্সের মেসেজ যেনো
মহান বিজয় এসেছো তুমি ভুবন কাঁপিয়ে, জমিন দাপিয়ে, রক্তগঙ্গা বয়ে দিয়ে, স্বর্ণালী কোমল প্রভা নিয়ে, আকাঙ্ক্ষারা উদগ্রীব হয়ে ছটফট করে সময়,অসময়ের আগন্তুক হয়ে। উন্মুক্ত নীলাভ আকাশে উড়তে চাই বিশুদ্ধ বাতাসে
প্রসারিত হাত তো নয় সত্যের প্রতিধ্বনি ইতিহাসের দরকষাকষিতে তুমি দ্রোহের স্লোগান আগুনঝরা মিছিলে নড়বড়ে মসনদ চেয়েছি থামুক বিরোধ, থামুক মৃত্যুর হুংকার! আজরাইলের সাথে আলিঙ্গন না হোক তোমার তুমি বীর, তুমি