তুমি আছ বসি তোমার ঘরের দ্বারে ছোটো তব সংসারে। মনখানি যবে ধায় বাহিরের পানে ভিতরে আবার টানে। বাঁধনবিহীন দূর বাজাইয়া যায় সুর, বেদনার ছায়া পড়ে তব আঁখি-‘পরে– নিশ্বাস ফেলি মন্দগমন
কেমন আছো তুমি ? ভালো …? যাক…. তুমি ভালো থাকো , কিন্তু আমি যে ভালো নেই জানো… আমার না খুব মন খারাপ শরীর ও ভালো নেই তেমন জ্বর জ্বর লাগছে
অনেক অপেক্ষার পর তুমি এলে যেনো বিষন্নতার আকাশে এক চিলতে রৌদ্র হয়ে, যে মনের জমিনে ছিলো এতো দিন বেদনা নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাস, সে বুকের জমিনে ফুটেছে আজ হাজারো গোলাপ। মৌমাছির গুঞ্জনে
বিকল্প আছে বলেই পক্ষান্তর-কিংবা-অথবা শব্দ দিয়ে সমাধান করা যায় সমস্যার লাভা, প্রেম কিংবা ভালোবাসা নিয়ে বৈরিতা নয় হোক যতো প্রাপ্তিযোগ কিংবা ক্ষয়; কষ্ট কিংবা ব্যথা সবকিছুর আছে মাত্রা জীবন এক
তুমি আমার নব্বই দশকের ফিলিংস ঊনবিংশ শতাব্দীর ভালোবাসা, তুমি আমার দু’হাজার সালের প্রেরণা প্রতিক্ষণের বেঁচে থাকার আশা। তুমি জনম জনমের আত্মার বন্ধন আত্মশুদ্ধির উপমা, তুমি আছো বলেই চিহ্ন আমার ভালোবাসায়
তুমি এসে জীবন ময়, অলিখিত দলীলে দস্তখত দিলে, উড়ো খামে মুঠোফোনে বার্তা পাঠালে মনের সাজানো রঙে। কত উপমায় আঁকো ছবি, রচো কত রচনা নিরবধি। তুমি এসে জীবন ময়, অভিমানে অনুরাগে
শীতের গভীর রাত। কুয়াশার চাদরে ঢাকা শহরের অলিগলি। বিখ্যাত গোয়েন্দা আরিয়ান চৌধুরী তাঁর ডায়েরির পাতা উল্টে বসে আছেন। হঠাৎ করেই দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। দরজা খুলতেই দেখা গেলো, একজন বয়স্ক
রাতের শহর মেঘমালা যেন এক অদ্ভুত রহস্যে ঢাকা ছিল। শহরের প্রাচীন জাদুঘরে সেদিন একটি মহামূল্যবান গুপ্তধন প্রদর্শনী চলছিল। এটি ছিল রাজা রুদ্রনারায়ণের রাজ্যাভিষেকের সোনার মুকুট, যা বহু বছর আগে হারিয়ে
স্মৃতির রঙিন ডানা মেলে চব্বিশ সাল চলে গেলো , হরেক স্মৃতি পিছনে ফেলে পঁচিশ সালটা চলে এলো নববর্ষের শুভেচ্ছা তাই সর্বজনকে দিলাম , নতুন এ সালকে সবাই বরণ করে নিলাম
শিশিরস্নাত কুয়াশার চাদর জড়ানো চতুর্দিকে যে হিম বুড়ি , আলসে শুয়ে আছে দিয়ে কাঁথা মুড়ি। হেনকালে জ্ঞানীর প্রাতঃ ভ্রমণের নেই যে কোনো জুড়ি। ষাট হয়ে যায় যেন কুড়ি! বুড়িও হেটে-হেটে