1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব! মনোহরগঞ্জে ২৪তম ইউএনও হিসেবে রিফাত জাহানের যোগদান মনোহরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির বর্ণাঢ্য আয়োজনে মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরগঞ্জের মৈশাতুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মাছের পোনা অবমুক্ত

সম্মান –নাজমুল ইসলাম রাজু

এম.এ.মান্নান.মান্না:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে
পুত্র ডাকিয়া মরণ কালেতে উমর শুধায় আশা
দুই বন্ধু’র পাশে যদি হয় মোর কবরের বাসা!
যেই উমরের ভয়েতে কাঁপতো অর্ধ জাহান সবে
রাসূল পার্শ্বে চাইতে কবর আকুতি তাহার তবে!
পুত্র যাওতো আর দেরি নয় এখনি আর্জি নিয়ে
যেথা উম্মুল মোমেনীন আছে জানাও তাহারে গিয়ে।
আমিরুল কীবা মোমেনীন নাম বোলোনা সেথায় তারে?
আজি আমি বড়ো দয়ার প্রার্থী তাহার হৃদয় ধারে ।
আগে দিবে গিয়ে সালাম আমার সম্মানে তার কাছে
তারপর সেতো যাইবা বলুক ভাগ্যে যে তাই আছে।
পুত্র ঠিকটি সালাম জানিয়ে ডাকে নির্দেশ মতো
আয়শা তখন উমর ব্যথায় ছিলেন কান্না রত।
পুত্র বলিলো আমিরুল কীবা মোমেনীন কেউ নয়!
আমার আব্বা দিছেন সালাম যদি কোনো দয়া হয়!
গ্রহণ করেন আর যদি দেন কবর এখানে তার
তবে পিতা মোর খুশি হন খুব এখন যা ক’ন আর?
আয়শা শুনিয়া নীরব হইয়া বলে মোর ছিলো মনে
রাসূল আর ঐ পিতার পাশের কবর আমার কোণে।
এই কথা আমি এতদিন ধরে ভাবিয়া এসেছি তবে?
উমর ছিলোতো প্রিয় রাসূলের স্মরণ রাখতে হবে।
উমর যখন নিজের কবর এমনি এখানে চায় ?
কেমন করিয়া আমি যে আয়শা ফেরাবো তাহারে হায়!
জীবন পথটি তাঁরা তিনজন একসাথে গেছে বেয়ে
উমর কে তাই অগ্রাধিকার দিলেন নিজের চেয়ে।
আয়শার সেই অনুমতি পেয়ে খুশি উমরের ভাব
আল্লাহ্ মহান শোকর তাঁহার এর চেয়ে নেই লাভ।
ছিলোনা চাওয়া আরতো কিছুই পেলো সবে পরে টের
গেলেন ছাড়িয়া খলিফা ওপার কাঁদলো ভুবন ঢের।
কাঁদলো সকল বিয়োগ ব্যথায় কাঁদলো সকল ধার
রাসূল পত্নী হাফসা কাঁদছে পিতা নাই তার আর।
লাশটি সকলে রাখলো আনিয়া আয়শার নিজ ঘরে
দুই বন্ধু’র পাশে ঠিক তার কবর রচনা তরে।
এমনে আয়শা উমর দিলেন একে আর জনে মান
পদবী গোপন করে একজন অন্যে কবর দান!
তাইতো ধরণী করলো সালাম এই দুজনার তরে
আল্লাহ্‌ হাসেন দেখিয়া তখন আরশ আযীম পরে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট