1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মোটরসাইকেলে ঘোরানোর কথা বলে ৯ বছরের শিশুকে অপহরণ, নির্যাতনের পর কচুরিপানার নিচে ফেলে পালানোর অভিযোগ ডিসি সারওয়ার আলমকে পুনর্বহালের দাবি সিলেট মহানগর জামায়াতের ভোট চোর ও ডাকাতরা সংসদে দাঁড়িয়ে জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি করতে পারে না: ড. ফয়জুল হক হাসনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের পক্ষ থেকে দেলোয়ার হোসেন দেনিসকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গাইবান্ধায় যুবদল নেতার হামলায় নিহত শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর জানাজা সম্পন্ন, এলাকায় উত্তেজনা সিংগাইরে নিখোঁজের ৬ দিন পর স্কুলছাত্রীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ১২০ বছর বয়সেও জীবিকার সন্ধানে বৃদ্ধ কৃষক নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষায় মোমো নারী ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত নাথের পেটুয়া ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল বাকি স্যারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে গিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, ফার্মেসি মালিক গ্রেপ্তার

সম্মান –নাজমুল ইসলাম রাজু

এম.এ.মান্নান.মান্না:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে
পুত্র ডাকিয়া মরণ কালেতে উমর শুধায় আশা
দুই বন্ধু’র পাশে যদি হয় মোর কবরের বাসা!
যেই উমরের ভয়েতে কাঁপতো অর্ধ জাহান সবে
রাসূল পার্শ্বে চাইতে কবর আকুতি তাহার তবে!
পুত্র যাওতো আর দেরি নয় এখনি আর্জি নিয়ে
যেথা উম্মুল মোমেনীন আছে জানাও তাহারে গিয়ে।
আমিরুল কীবা মোমেনীন নাম বোলোনা সেথায় তারে?
আজি আমি বড়ো দয়ার প্রার্থী তাহার হৃদয় ধারে ।
আগে দিবে গিয়ে সালাম আমার সম্মানে তার কাছে
তারপর সেতো যাইবা বলুক ভাগ্যে যে তাই আছে।
পুত্র ঠিকটি সালাম জানিয়ে ডাকে নির্দেশ মতো
আয়শা তখন উমর ব্যথায় ছিলেন কান্না রত।
পুত্র বলিলো আমিরুল কীবা মোমেনীন কেউ নয়!
আমার আব্বা দিছেন সালাম যদি কোনো দয়া হয়!
গ্রহণ করেন আর যদি দেন কবর এখানে তার
তবে পিতা মোর খুশি হন খুব এখন যা ক’ন আর?
আয়শা শুনিয়া নীরব হইয়া বলে মোর ছিলো মনে
রাসূল আর ঐ পিতার পাশের কবর আমার কোণে।
এই কথা আমি এতদিন ধরে ভাবিয়া এসেছি তবে?
উমর ছিলোতো প্রিয় রাসূলের স্মরণ রাখতে হবে।
উমর যখন নিজের কবর এমনি এখানে চায় ?
কেমন করিয়া আমি যে আয়শা ফেরাবো তাহারে হায়!
জীবন পথটি তাঁরা তিনজন একসাথে গেছে বেয়ে
উমর কে তাই অগ্রাধিকার দিলেন নিজের চেয়ে।
আয়শার সেই অনুমতি পেয়ে খুশি উমরের ভাব
আল্লাহ্ মহান শোকর তাঁহার এর চেয়ে নেই লাভ।
ছিলোনা চাওয়া আরতো কিছুই পেলো সবে পরে টের
গেলেন ছাড়িয়া খলিফা ওপার কাঁদলো ভুবন ঢের।
কাঁদলো সকল বিয়োগ ব্যথায় কাঁদলো সকল ধার
রাসূল পত্নী হাফসা কাঁদছে পিতা নাই তার আর।
লাশটি সকলে রাখলো আনিয়া আয়শার নিজ ঘরে
দুই বন্ধু’র পাশে ঠিক তার কবর রচনা তরে।
এমনে আয়শা উমর দিলেন একে আর জনে মান
পদবী গোপন করে একজন অন্যে কবর দান!
তাইতো ধরণী করলো সালাম এই দুজনার তরে
আল্লাহ্‌ হাসেন দেখিয়া তখন আরশ আযীম পরে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট