গত ২৫ মার্চ দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
মরহুম মোবারক উল্লাহ মজুমদার একজন সফল শিল্পোদ্যোক্তা ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-মামটেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিয়াম কম্পিউটারাইজড ইলাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মামটেক্স কম্পোজিট ইন্ডাস্ট্রিজের স্বত্বাধিকারী, মজুমদার এগ্রো অ্যান্ড ফিশারিজের স্বত্বাধিকারী এবং ফোরাত কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী।
২৭ মার্চ শুক্রবার মরহুমের কবর জিয়ারত করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও শিক্ষামন্ত্রী জনাব আ ন ম এহসানুল হক মিলন (এমপি)। এসময় তিনি মরহুমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গভীর সমবেদনা জানান এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সান্ত্বনা জ্ঞাপন করেন।
তিনি বলেন, “মোবারক উল্লাহ মজুমদার ছিলেন দলের দুঃসময়ের একজন নির্ভরযোগ্য সহযোদ্ধা। দলের প্রতি তাঁর অবদান চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মতো নিবেদিতপ্রাণ নেতার শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।”
কবর জিয়ারত উপলক্ষে মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এসময় দেবপুর জনকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুল মান্নান সুমনসহ পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও এলাকার অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন।
কবর জিয়ারতের সময় এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মরহুমের ছোট ভাই মোঃ গিয়াস উদ্দিন সৈকত, যিনি মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, পিতৃতুল্য বড় ভাইয়ের কবর জিয়ারত করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার কান্না ছুঁয়ে যায় উপস্থিত সকলকে। এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্বজনরাও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
মরহুম মোবারক উল্লাহ মজুমদারের মৃত্যুতে এলাকাবাসী একজন সফল উদ্যোক্তা, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধাকে হারিয়েছে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁর কর্ম ও অবদান দীর্ঘদিন স্মরণে রাখবে মনোহরগঞ্জবাসী।








