ইদানিং ভাবছি—–
তোমাকে উৎসর্গ করবো একটি কবিতা।
নাম কী দেওয়া যায়, বলতো?
যে নামের ভেতর থাকবে,
তোমার চোখের শান্ত বিকেল,
তোমার কণ্ঠের নরম বৃষ্টি,
তোমার অভিমানের কালো মেঘ।
জানো? যতবারই লিখতে চেয়েছি,
ততবারই ভাষা আমার বিরুদ্ধে গেছে।
যেদিন তুমি জিজ্ঞেস করলে,
“আমায় ভালোবাসো?”
আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই আবার জানতে চাইলে,
“আমাকে পছন্দ করো?”
সেদিন তোমার প্রশ্নগুলো ভীষণ অদ্ভুত ছিল;
মনে হয়েছিল,
বহুদিনের জমে থাকা সমস্ত কথার বন্যা,
আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
তুমি জানতেই পারলে না,
সেদিন থেকেই ভালোবাসার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয়।
তারপর রাতগুলো আর শুধু রাত রইলো না;
তোমাকে ভাবার এক দীর্ঘ অবকাশ হয়ে উঠলো।
একদিন বুঝলাম,
তোমাকে মনে করা, আর নিঃশ্বাস নেওয়ার মধ্যে
কোনো পার্থক্য রইলো না,
দুটোই অনিবার্য, দুটোই স্বতঃস্ফূর্ত।
জানো?
আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর কবিতাটি
আমি আজও লিখে উঠতে পারিনি।
সেটাই একদিন তোমাকে উৎসর্গ করে দেবো।
বলতো, কী নাম দেওয়া যায়?
“প্রেম”? না, শব্দটি খুব ছোট।
“ভালোবাসা”?
না, তাতেও তোমাকে সম্পূর্ণ ব্যক্ত করা যাবে না।
তাহলে?
আমি সেই দীর্ঘ কবিতা লিখে যেতে চাই,
যেখানে পৃথিবীর গভীরতম অনুভূতির,
যাদুকরী চিত্রকল্প খচিত থাকবে।
যার নাম হবে——
তোমার-আমার এক অসমাপ্ত কবিতা।