1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আকাশে তাকিয়ে থাকি -কোহিনূর আক্তার মনোহরগঞ্জে এনসিপির নতুন কমিটি নিয়ে অসন্তোষ, ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি মনোহরগঞ্জে আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাটি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারের সংবাদ সম্মেলন মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ১৩১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মোবারক, সম্পাদক মেহেদী মনোহরগঞ্জে আলীনকিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত অস্ত্রের মহড়ার টিকটক ভিডিও: মনোহরগঞ্জে কিশোর গ্যাং লিডার গ্রেফতার মনোহরগঞ্জে শিক্ষিকার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন। মনোহরগঞ্জে সন্ত্রাস নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা।

হাতিয়ায় ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী : নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজ) করে নোয়াখালী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন।

ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা ও ভাই দীর্ঘদিন ধরে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করে আসছিলেন। সেই সুবাদে ওই শিশুরও তদন্ত কেন্দ্রে নিয়মিত যাতায়াত ছিল।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, জাহাজমারা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম বিভিন্ন সময় শিশুটিকে ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে তার সরকারি বাসভবনে ডেকে নিতেন। সেখানে শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছিলেন। পাশাপাশি ঘটনা ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন সময় টাকার প্রলোভনও দেওয়া হতো। তীব্র ভয় ও নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এতদিন বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন বলে জানায় ভুক্তভোগীর পরিবার।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর হাতিয়া ও আশপাশের এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা হিমেল জানান, প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন আচরণে পুরো এলাকায় মানুষ হতবাক। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং প্রভাবমুক্ত তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর আইনি ব্যবস্থার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়েছে। প্রাথমিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পুলিশ প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় শুরুতেই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তদন্তাধীন এই বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট