1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বৃষ্টির দিনে –সৈয়দ ইসমাইল হোসেন জনি  জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে মনোহরগঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ ছাত্রদলের হামলায় জকসু ভিপিসহ শিবির-ছাত্রশক্তির বেশ কয়েকজন আহত মির্জাপুর পূর্ব ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে সামাজিক অবক্ষয় রোধে জরুরি পরামর্শ সভা ভ্রমণ কাহিনী: পদ্মা পারে আনন্দ ভ্রমণ –আব্দুস সাত্তার সুমন সময় –মুক্তা পারভীন কক্সবাজার ইনানী বিচে ‘কুমিল্লা কবি পরিষদ’-এর আনন্দ ভ্রমণ ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ পাবনার মোঃ হাবিবুর রহমান (শুভ)-কে শতরূপা মানবিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চিকিৎসা সহায়তা ইলোরা আন্তর্জাতিক সাহিত্য কাননের উদ্যোগে ‘বর্ষার কবিতা পাঠ ও আলোচনা অনুষ্ঠান’ অনুষ্ঠিত আলীনকিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মাদরাসাছাত্রীকে ৩ দিন আটকে রেখে ধ/র্ষ/ণে/র অভিযোগ অতঃপর

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ২২৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইন ডেস্ক: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় এক মাদরাসাছাত্রীকে টানা তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মাদরাসার শিক্ষক শাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনাটি মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের নামার বাজারে ঘটেছে। অভিযোগের পর একটি গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে ওই শিক্ষক ও ছাত্রীর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
অভিযুক্ত শাহেদুল ইসলাম নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আবুল কালামের ছেলে। তিনি নামার বাজার মহিলা মাদরাসার শিক্ষক এবং স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন।
এছাড়াও, তিনি ইসলামি যুব আন্দোলনের নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন কমিটির সদস্য হিসেবে পরিচিত।
ভুক্তভোগী ছাত্রীটি জানিয়েছে, হুজুর তাকে মসজিদের পাশে নিজের থাকার রুমে রেখে ধর্ষণ করেছেন। বাড়িতে ফিরে সে পরিবারকে বিষয়টি জানায়। ছাত্রীটি আরও বলে, “আমরা গরিব মানুষ। আমার বাবা নাই। এখন সালিশে হুজুর আমাকে বিয়ে করবেন, এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম বাবলু জানান, শিক্ষক শাহেদুল ইসলাম তার সব দায় স্বীকার করেছেন এবং ছাত্রীকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছেন।
ভুক্তভোগী ছাত্রীটিও বিয়েতে মত দেওয়ায় সামাজিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বাবলু বলেন, যদি বিয়ে না হয়ে মামলা-মোকাদ্দমা হতো, তাহলে ওই ছাত্রীর পরিবারের, যারা অন্যের সাহায্যে জীবন চালায়, খরচ চালানোর মতো পরিস্থিতি ছিল না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট