ছোট্ট নদী মেঘ-পাহাড়ের বুক ছুঁয়ে সুঠাম নীলের স্পর্শে নিতান্ত অক্লেশে সমুদ্র পরিসংখ্যানবিহীন অগুনতি ঢেউ প্রেমের সৈকত বিশাল তোমার বুকের ‘পর। হলুদ নদীর বনে নীড়ে ফিরে সন্ধ্যার পাখি জ্যোৎস্না নামে ঝাউ
কথা বলতে কারো সাথে ইচ্ছে করে না কেন এমন হয় সেটাও আমি জানি না, একাকী চুপ থাকতে কেবল ভালো লাগে গাছ কে খুব বেশি আপন আপন লাগে। ইনবক্সের মেসেজ যেনো
মহান বিজয় এসেছো তুমি ভুবন কাঁপিয়ে, জমিন দাপিয়ে, রক্তগঙ্গা বয়ে দিয়ে, স্বর্ণালী কোমল প্রভা নিয়ে, আকাঙ্ক্ষারা উদগ্রীব হয়ে ছটফট করে সময়,অসময়ের আগন্তুক হয়ে। উন্মুক্ত নীলাভ আকাশে উড়তে চাই বিশুদ্ধ বাতাসে
প্রসারিত হাত তো নয় সত্যের প্রতিধ্বনি ইতিহাসের দরকষাকষিতে তুমি দ্রোহের স্লোগান আগুনঝরা মিছিলে নড়বড়ে মসনদ চেয়েছি থামুক বিরোধ, থামুক মৃত্যুর হুংকার! আজরাইলের সাথে আলিঙ্গন না হোক তোমার তুমি বীর, তুমি
নীল আকাশের মায়া ছাড়েনি কখনো দু’জনাকে– নীল সাগরে সৈকত পাড়ে স্মৃতির কায়া হাঁটে, বাতাস কথা বলে সুমিষ্ট সুরেলা আওয়াজে শিশিরের নূপুর বাজনা’ কানে আসে ঝুমুর তালে তালে — তোমার ভাবনা
সেদিন কি বুঝে লিখে ছিলে কবি,” আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি”? এই বদ্বীপে জন্মের পর থেকে আজও কোন সোনার খনি মিলে নাই, মিলে নাই কোন সোনার মানুষ! সিন্ধুর অববাহিকা
দিগন্তের ওপারে দিকশূন্য সূর্য সবুজের বুকে স্নেহভেজা রৌদ্র হাবুডুবু খাওয়া তৃষ্ণার্ত নদীর স্বপ্ন আর অখণ্ড দিন ফুরাবার আগেই আমি একবার, চাই দেখবার বাবা, আমাকে কাঁধে তুলে নাও ঘাতকের হিংস্র চোখ,
সিইউকেপি সাহিত্য সম্মাননা ও অর্থ পুরস্কার-২০২৫ পাচ্ছেন ৭ লেখক। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য ১৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা কবি পরিষদ পুরস্কৃত লেখকদের নাম ঘোষণা করে। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- নাটকে ড.
হে সীমান্তের শকুন এক্ষুনি ছিঁড়ে খাও আমাকে হে আটলান্টিকের ঈগল শিগগির খুবলে খাও আমাকে হে বৈকাল হ্রদের বাজ আঁচড়ে কামড়ে ছিন্নভিন্ন করো আমাকে। আমার রক্তরসে শুধু অসহায়ত্ব আর অভাব; কাগজের
তোমাকে আর পাওয়া হইলো না— তারচেয়ে বড় আক্ষেপ আর হইতে পারে নাহ। এই এক লাইনের ভেতরেই আমার জীবনের অর্ধেক দীর্ঘশ্বাস লুকানো। হাত বাড়ালেই শূন্যতা, নাম ডাকলেই নীরবতা— এভাবেই তুমি ধীরে