এসেছো তুমি শীতের বুড়ি,রূপসী পৌষের সোনালী ডানায় ভর করে, মোহনীয় কুয়াশার শীতল কমনীয় রহস্যময় চাদরে আবৃত করে ধরাধামকে। ফোটেনি পরিপূর্ণতায় আলোর সুরমা দ্যুতি;অলক্ষ্যে সূর্যের আভার সংবাদ ছড়ালো পাখ্-পাখালির কুঞ্জ-কাননে! আনন্দ
লোকে মানব চরিত্র কে যতো ভাবেই ভাগ করুক না কেনো সবার উপরে ভালোবাসাই সবচেয়ে দামী। একটু ভালোবাসা পেলে মানুষ আর কিছুই চায় না, যখন তা পায় না তখন সেটার অপশন
একদিকে নতুন অধ্যায়ের যোগ, অন্যদিকে জীবন থেকে এক অধ্যায়ের নীরব সাক্ষী— এই দুইয়ের মাঝখানেই দাঁড়িয়ে থাকে জন্মদিন, কোনো উল্লাসে নয়, বরং অদ্ভুত এক হিসাবের খাতায় নিজের নামটা নতুন করে লিখে
বাসন্তী অনিল যখন তোমার দিকে বহে! আমার অনারম্ভর জীবনের গল্প টা বিস্তৃত হয় বিবর্ন বৃক্ষ হয় সবুজ অরণ্য, ফোঁটে বসন্তের ফুল। প্রজাপতি রঙিন পাখা বিস্তার করে উড়ে যায়,ফুলে,ফুলে। ঝর্ণার কলতানে
তুমি ছিলে সেই মহাকাল এর চিরন্তন কাননে,প্রথম প্রজাপতি! সহস্র পুস্প মঞ্জুরি তোমার জন্য স্তবক ছড়িয়ে দিল। সুরভিত করেছিল সেই স্বর্গকানন। প্রথম দৃষ্টি ছুঁয়েছিল আমার চোখ তোমার দৃষ্টির প্রখরতা। প্রশান্ত মহাসাগরের
শীতকাল আসে অসহায়ের কষ্টের কারণ হয়ে, হাড় কাঁপানো শীতের সময় কেমনে যাবে সয়ে? প্রচণ্ড কুয়াশায় ঢাকা আমার প্রিয় দেশ, বস্ত্রহীনা পথশিশুদের কষ্টের নেইতো শেষ। গৃহহীনা এতিম অনাথ দেখার কেহ নাই,
চেন্নাই শহরের প্রখ্যাত শিল্পপতি সুধীর চৌধুরী আজ হাসপাতালের বেডে মৃ’ত্যুর মুখে শুয়ে আছেন। তাঁর হার্টে এমন জটিল ব্লকেজ ধরা পড়েছে, যা আর কোনো অপারেশনেই সারানো সম্ভব নয়। দেশের নামজাদা হার্ট
ভুলে যেও না, আমার অস্তিত্বে জড়িয়ে থাকা সেসব ক্ষতচিহ্ন, যা তোমার শ্বাসের স্পর্শে একদিন মুছে গিয়েছিল। আমার চোখের সেই গভীর নীল, যেখানে একসময় তোমার স্বপ্নেরা বাসা বেঁধেছিল। তোমার ওষ্ঠের আভাসে
তুমি নেই— মানে পৃথিবীর কোনো ক্ষতি হয়নি। সূর্য ঠিকই উঠেছে, আকাশ তার নীল রং বদলায়নি, পাখিরা সকালবেলায় তোমার অনুপস্থিতির খবর না জেনেই ডানা মেলেছে। তুমি নেই— মানে খবরের কাগজে
তুমি আমার নীরব নক্ষত্র! আলো জ্বেলে রাখো,দিবানিশি। তোমার নরম আলোয় মাখামাখি আকাশ নদী। প্রতিটি নীরব রাতে চাঁদের স্নিগ্ধতার মতো আমার বিছানা অব্দি পৌঁছে যায় তোমার আলো। আমি সেই কোমল আলোতে