মনের মতো মানুষ যদি পাশে থাকে, তাহলে চার দেয়াল অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায়। ইট–সিমেন্টে বানানো ঘর নয়, একটু ডাক, একটু অপেক্ষা, এক কাপ চায়ের উষ্ণতাই তখন ঠিকানা হয়ে ওঠে। যেখানে যত্ন
এ-ই যে তুমি প্রতিনিয়ত খুন করছো আমায়, সদ্য অঙ্কুরিত আমার মন, ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা আবেগ, ভালো লাগার অনুভূতি, ভেঙে টুকরো টুকরো করছো বিচার হবে তো তার? স্বপ্নিল আকাশটাকে কালো
এ-ই যে তুমি প্রতিনিয়ত খুন করছো আমায়, সদ্য অঙ্কুরিত আমার মন, ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা আবেগ, ভালো লাগার অনুভূতি, ভেঙে টুকরো টুকরো করছো বিচার হবে তো তার? স্বপ্নিল আকাশটাকে কালো
ভুলিতে চাই না,ভুলা যায় না,তোমার স্মৃতি মা গো, যে পথে হেটে গেছি সেদিন,,সে পথ এখন বাড়ী গো।। যে খালপারে বসে নিশি-দুপুরে বাজাইতাম বাঁশি, সে খালপারে পাকা রাস্তা, দালান-কোঠা ঠাসি, দুই
অবহেলায় পড়ে থাকা কফি কাপ আমাকে নাড়িয়ে দিলো তা শুধু স্মৃতি নয় বরং এমন গল্প যা ফুরায় না কোনোদিন – আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম এতো নি:সঙ্গ পড়ে আছো কেনো কাপ
মানব মনের বৈচিত্রতা বিস্ময়কর! বহুবিধ চিন্তনে ব্যক্ত হয় পন্ডশ্রম, কখন কোনখানে নিমগ্ন হয় চিন্তার নিশীথ অবগাহন,পূর্বে প্রকাশ্যে অক্ষম। উদ্বেগ,বিক্ষুপ্ততা সংযমের অনাদিক্য কোনো পর্বে আনে অশান্তি দুর্ভোগ, নিজস্ব আস্থা বিশ্বাস অনিস্বীকার্য
এসেছো তুমি শীতের বুড়ি,রূপসী পৌষের সোনালী ডানায় ভর করে, মোহনীয় কুয়াশার শীতল কমনীয় রহস্যময় চাদরে আবৃত করে ধরাধামকে। ফোটেনি পরিপূর্ণতায় আলোর সুরমা দ্যুতি;অলক্ষ্যে সূর্যের আভার সংবাদ ছড়ালো পাখ্-পাখালির কুঞ্জ-কাননে! আনন্দ
লোকে মানব চরিত্র কে যতো ভাবেই ভাগ করুক না কেনো সবার উপরে ভালোবাসাই সবচেয়ে দামী। একটু ভালোবাসা পেলে মানুষ আর কিছুই চায় না, যখন তা পায় না তখন সেটার অপশন
একদিকে নতুন অধ্যায়ের যোগ, অন্যদিকে জীবন থেকে এক অধ্যায়ের নীরব সাক্ষী— এই দুইয়ের মাঝখানেই দাঁড়িয়ে থাকে জন্মদিন, কোনো উল্লাসে নয়, বরং অদ্ভুত এক হিসাবের খাতায় নিজের নামটা নতুন করে লিখে
বাসন্তী অনিল যখন তোমার দিকে বহে! আমার অনারম্ভর জীবনের গল্প টা বিস্তৃত হয় বিবর্ন বৃক্ষ হয় সবুজ অরণ্য, ফোঁটে বসন্তের ফুল। প্রজাপতি রঙিন পাখা বিস্তার করে উড়ে যায়,ফুলে,ফুলে। ঝর্ণার কলতানে