
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে কর্মরত সকল ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক ও সুধীজনদের সম্মানে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে মনোহরগঞ্জ প্রেসক্লাব। শুক্রবার (৬ মার্চ) মনোহরগঞ্জ মডেল মসজিদ অডিটরিয়ামে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা প্রশাসনের নেতৃবৃন্দ,বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা, সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ মনোহরগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত সকল ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।
মনোহরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু ইউসুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন,প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম আহসান উল্লাহ।
দোয়া ও ইফতার মাহফিলের পূর্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকা সম্পাদক মোঃ শফিকুর রহমান শফিক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সারওয়ার আলম তুষার, মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সিনিয়র সহ সভাপতি শাহ সুলতান খোকন, উপজেলা জামায়াত শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য হুমায়ুন কবির সেলিম ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ জিকু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধি হেলাল আহমেদ, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমান উল্লাহ চৌধুরীসহ বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
মনোহরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু ইউসুফ বলেন, পবিত্র মাহে রমজান আমাদের সংযম, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ হিসেবে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করেন। মনোহরগঞ্জ প্রেসক্লাব সবসময় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি উপস্থিত সকল অতিথি, সাংবাদিক ও সুধীজনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম আহসান উল্লাহ বলেন,সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা আমাদের প্রধান কাজ। পবিত্র রমজানের এই মাহফিলের মাধ্যমে সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্য আরও দৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ইফতার মাহফিলে পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পেশ করেন, মনোহরগঞ্জ মডেল মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা হাবিবউল্লাহ। পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশার উন্নয়ন এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার বিষয়ে উপস্থিত বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটি মনোহরগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক, সামাজিক, সুধীজন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।