সহস্র পুস্প মঞ্জুরি তোমার জন্য স্তবক ছড়িয়ে দিল।
সুরভিত করেছিল সেই স্বর্গকানন।
প্রথম দৃষ্টি ছুঁয়েছিল আমার চোখ তোমার দৃষ্টির প্রখরতা।
প্রশান্ত মহাসাগরের মতো মন।
তোমার বলিষ্ঠ স্পন্দমান কন্ঠের প্রথম উচ্চারিত হলো আমার নাম,!আকাশের নীলিমা ছাড়িয়ে অসীমের পানে বিস্তৃত হয়েছিল তোমার দিগন্ত প্রসারিত হাত।
তুমি ছিলে আমার প্রথম স্বাধীনতা।
প্রথম বিজয়ের উল্লাসে আঁকা
পতাকার প্রচ্ছদ।
হাজার প্রজাপতি রঙিন পাখা নেড়ে অভিনন্দন জানিয়ে ছিলো সেদিন।
মেঘের লুকোচুরি চলছিল নীলাম্বরী আঁচল জুড়ে।
জোৎস্না মাখা স্মিত হাসি টা তোমার অধোর আলোকিত হয়ে পথের মতো
নেমে এসেছিল।
কল্পলোকের সীমানা প্রাচীর ডিঙিয়ে বিস্ময়কর জগতের প্রাঙ্গণে এসে দাঁড়িয়ে আছি।
তোমার দৃষ্টির সীমানায়!
তোমার কাছে জমা রেখেছি কবিতার চরণ, ব্যকরনের কঠিন শব্দাবলী।
তোমার বাউল মন একতারা হাতে পৌঁছে গেলো,অসীমের সুরভি কুড়িয়ে পুষ্পোদ্যানে!
হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে আছি,তোমার
জন্য অঞ্জলি হাতে।
স্বাগতিক মন অর্ঘ্য জড়ানো হাতে বরন করবো বলে।
কোন অমোঘ নিয়মে অবসন্ন হলো আমার হাত,দীর্ঘতর হলো তোমার পথের লম্বা সফর।
নিঃশব্দে হেঁটে যাই মৃত নক্ষত্রের মতো টিমটিমে লন্ঠন হাতে।
জড়িয়ে ধরে নিঃশ্বাসের সুগভীর তন্দ্রা।
আঁখি ছলছল, নতজানু আমি কাতর চোখে দেখি বিধ্বস্ত শহর।
ভীষণ করজোড়ে দাঁড়িয়ে থাকি নিঃশব্দ প্রার্থনায়।
দীর্ঘশ্বাস এর জ্বালাময়ী পটভূমি বদলে যায় হৃদয় গহীনে।
আজও আমি হাঁটি তোমার নির্দেশিত
পথে।
তোমার আলোকিত পথের দিশারি হয়ে।
অঞ্জলি হাতে দাঁড়িয়ে আছি তোমায় বরন করবো বলে।
রেখা