1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব! মনোহরগঞ্জে ২৪তম ইউএনও হিসেবে রিফাত জাহানের যোগদান মনোহরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির বর্ণাঢ্য আয়োজনে মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরগঞ্জের মৈশাতুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মাছের পোনা অবমুক্ত

গত ১০ আসরে বিপিএলের টিকিট বিক্রির আয় ১৫ কোটি, এবারই সোয়া ১২ কোটি

স্পোর্টস ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৫৪ বার পড়া হয়েছে

শেষ হয়েছে আলোচনার তুঙ্গে থাকা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) একাদশ আসর। টিকিটির জন্য শুরুর দিকে ভাঙচুর হয়েছে শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের ফটক ও টিকিট বুথ। নেতিবাচক দিক বাদ দিলে এবারের আসরে দর্শকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট তিন ভেন্যুতেই ভক্ত-সমর্থকদের উল্লাস মন কেড়েছে মাঠের ক্রিকেটারদেরও। শেষ পর্যন্ত এবারের এক আসর থেকে শুধুমাত্র টিকিট বিক্রি করে যে আয় হয়েছে, তা প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে গত দশবারের সম্মিলিত উপার্জনকে।

 সোমবার এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ বলেন, ‘এবার আমরা অবিশ্বাস্যরকম সফলভাবে টিকিট বিক্রি করেছি। এর বড় কারণ আমরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গিয়েছি। এটি অত্যন্ত নিরাপদ ব্যবস্থা। বিশ্বকাপে যেভাবে টিকিট বিক্রি হয়, সেভাবেই।’ তিনি যোগ করেন, ‘নতুন একটি সিস্টেম দেখার জন্য (বিপিএলের) প্রথম পর্বে আমরা ৩৫ শতাংশ ও প্লে অফে ৪০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে দিয়েছিলাম। সব মিলিয়ে পুরো বিপিএলে আমরা ১২ কোটি ২৫ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি করেছি।’

বিসিবি সভাপতি আরও বলেন, ‘ছোট্ট একটা তুলনা যদি দেই, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড গত ১০ আসরে টিকিট বিক্রি করেছে ১৫ কোটি টাকার মতো। সেটা বিবেচনা করলে আমরা এক বছরেই সেটার কাছাকাছি চলে এসেছি।’ বিপিএলের লাভের অংশ ভাগাভাগির বিষয়টি নিয়ে চর্চা হয়েছে এর আগেও। বিভিন্ন সময় ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকেরা তাদের এসব দাবি তুলে ধরেন।

গত আগস্টে বিসিবির দায়িত্ব নেয়ার সময় ফারুক আহমেদের কাছেও ছিল একই দাবি। তখন লাভের পরিমাণটা না জানার কারণে রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের বিষয়ে আশ্বস্ত করতে পারেননি তিনি। তবে এবার মালিকদের সুখবর দিয়ে ফারুক বলেন, ‘সব ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য সুখবর, যদিও রেভিনিউ শেয়ারিং বলতে সব ক্ষেত্রেই ভাগাভাগি বুঝায়। কিন্তু অন্যগুলো ওরকম করে করতে পারিনি। তাই টিকিট বিক্রি করে যে আয় হয়েছে, এখান থেকে ভালো একটা অংশ সাত ফ্র্যাঞ্চাইজিকে দেয়ার চেষ্টা করব।’ সদ্য শেষ হওয়া বিপিএল আসরে অব্যবস্থাপনার কথা স্বীকার করেন ফারুক। তবে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে আসরের সমাপ্তি টানাতে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে তিনি বলেন, ‘বিপিএলে অবশ্যই কিছু ঘাটতি ছিল। প্রথম দিকে টিকিট, নতুন একটা সিস্টেম, ঝামেলা ছিল। সব কিছু আমি মেনে নিচ্ছি। তবে যদি সার্বিকভাবে বিপিএল দেখেন, দর্শক, উইকেট, টিকিট বিক্রি, দর্শকদের অংশগ্রহণ ও টিভি প্রোডাকশন… টিভি ক্রু থেকে ধারাভাষ্যকার পর্যন্ত। স্যার কার্টলি অ্যামব্রোস বলেছেন, তার দেখামতে উইকেট ও সব মিলিয়ে গত তিন বছরের মধ্যে এটা সেরা বিপিএল। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট