আমার অনারম্ভর জীবনের গল্প টা বিস্তৃত হয় বিবর্ন বৃক্ষ হয় সবুজ অরণ্য, ফোঁটে বসন্তের ফুল।
প্রজাপতি রঙিন পাখা বিস্তার করে উড়ে যায়,ফুলে,ফুলে।
ঝর্ণার কলতানে পাহাড়ি সুন্দর্য্য স্বপ্নের মতো এঁকে যায় বাংলার রুপ।
তোমার ভালোবাসা যেন অপার মাতৃভূমি!
সুদূর নীহারিকা থেকে পাঠাও নীলখামে প্রেমের শ্বাস্বতঃ উপহার।
সুখের সাগর তীরে,গড়ে উঠে আমার চিরন্তন আবাসন!
নৈসর্গিক নিয়মে নক্ষত্র জ্বেলে রাখে নিয়নের উজ্জ্বল আলো!
জোনাকি মেয়ের আঁচলে বাঁধা যেন সুখের প্রদীপ।
তোমার স্মৃতি গুলো লাল সবুজ পতাকা.!
পতপত করে উড়ে সুখের আকাশে।
স্বাধীনতা খুজে পায় উচ্ছ্বসিত নতুন ব্যাকরণ,
স্বপ্ন গুলো ছুঁয়ে যায় বুকের জমিনে।,
সুপ্ত প্রেম পাখা নেড়ে উড়ে শরতের আকাশে।
দিকভ্রান্ত বলাকা মুক্ত আকাশে মুক্তির
নিঃশ্বাস নেয়,খুজে পায় নীড়ে ফেরার তৃপ্তি।
তোমার প্রেম,স্বাধীনতার গল্প শোনায়,
উজ্জল আলোয় হেঁটে যাই শতাব্দীর পথ।
সমস্ত সুখের সাম্রাজ্য লিখে দাও শুধু আমার নামে,।
আর সরীসৃপের মতো আমি হয়ে যাই তোমার অনুগত,
একান্ত আপন ইচ্ছে করে ধরা দেই তোমার মনের নোঙরে।
অপলক তাকিয়ে রই স্মৃতির প্যান্ডলে
বিলবোর্ডের ছবি,বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ড, মিছিল, পোস্টার সকল জায়গায় শুধু তোমার ছবি দেখি।
জাগরণের মঞ্চে তোমার মুষ্টি বদ্ধ হাত!
তোমার বজ্র কন্ঠ কাঁপিয়ে দেয় জনতার মঞ্চ।
হাজার হৃদয়ে আসন গাড়ো পবিত্র ভালোবাসায়।
তোমার জ্যোতির্ময়ী অনুভবের অভাব,হৃদয় ভেঙে যায়
কাঁচের মতো ঝনঝন শব্দে।
বর্ণমালা হীন কবিতা গুলো কাঁদে দ্বিধাহীন একেলা বাতায়নে।
তোমার অভাবে দুর্ভিক্ষ নেমে আসে,ক্ষুধার্ত নিরন্ন মানুষের হাহাকার
নিঃশব্দে অশ্রু ঝরায়।
ভাত,রুটির গন্ধ ভুলে যায়।
ভুলে যায় অধিকার আদায়ের শপথ।
বর্গীরা হানা দেয় এই দেশে বারবার।
ভোরের আলো কেড়ে নেয় জীবন থেকে।
শিশুরা পাঠশালা চিনে না, ভুলে যায় বর্ণমালা।
হরবোলা তোতলানো বোলে
স্বাধীনতা চায়।
ভালোবাসা শুধু অপার মাতৃভূমি।
ভালোবাসা চিরায়ত আকাঙ্ক্ষার পবিত্র স্বাধীন স্বদেশ।
রেখা