নিজেদেরকে দাঈ ইলাল্লাহ হিসাবে উপস্থাপন করে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করার মাধ্যমে মানুষকে দ্বীন শেখানোর প্রত্যয়ে আত্মনিয়োগ করার জন্য আলেম সমাজের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে হত্যার সহযোগী হিসেবে পতিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতারা গ্রেফতার না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সূত্র জানা যায়, গণঅভ্যুত্থানের
প্রয়োজনে জামায়াতে ইসলামীর সাথে এক হয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই পীর। বুধবার (২ অক্টোবর) বিকেলে মহানগরের যতরপুরে
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, বিগত ১৫-১৬ বছর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটা ভালো চলে নাই। এ দেশ আওয়ামী লীগ সরকারের ছিল না এবং
যারা বিএনপিকে নিয়ে কটূক্তি করবে তাদের জিভ কেটে কুকুর দিয়ে খাওয়ানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে
দেশকে নতুনভাবে গঠন করার জন্য ছাত্রশিবিরের প্রতিটি নেতাকর্মীকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন। রবিবার
দায়িত্ব পালনকালে নিহত সেনাবাহিনীর লেফট্যানেন্ট তানজিম সারোয়ার নির্জনের বাবা-মা’সহ পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা ও খোঁজ-খবর নিতে তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল শনিবার রাত
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘সময়মতো হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেওয়া হবে।’ গতকাল সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আয়োজনে দায়িত্বশীল সমাবেশে ‘যৌক্তিক সময়ে জাতীয় নির্বাচন’ বিষয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ছাত্রশিবির কিছু কৌশল অবলম্বন করেছে, যার মাধ্যমে ছাত্র-জনতা এক হয়ে প্রিয় বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করেছে। বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, পর্যটন নগরী কুয়াকাটাকে আতঙ্কের নগরীতে পরিণত করেছিল আওয়ামী সরকার। কুয়াকাটায় একজন পর্যটক হিসেবে ভ্রমণেও