1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরগঞ্জে বাইশগাঁও বাজারের ব্রিজের গার্ডার ভাঙার অভিযোগ, তদন্তে এলজিইডি মদিনায় মহি কন্ট্রাক্টিং কোম্পানির প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন আগামীকাল সকাল ১০টায় কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন মেজর আখতারুজ্জামান আকাশে তাকিয়ে থাকি -কোহিনূর আক্তার মনোহরগঞ্জে এনসিপির নতুন কমিটি নিয়ে অসন্তোষ, ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি মনোহরগঞ্জে আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাটি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারের সংবাদ সম্মেলন মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ১৩১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মোবারক, সম্পাদক মেহেদী মনোহরগঞ্জে আলীনকিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত অস্ত্রের মহড়ার টিকটক ভিডিও: মনোহরগঞ্জে কিশোর গ্যাং লিডার গ্রেফতার মনোহরগঞ্জে শিক্ষিকার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন।

অধ্যক্ষের ছেলের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা, ‘উপহারের ৫০০ টাকা’ চেয়ে নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০২৪
  • ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে

পুরান ঢাকার সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মোহসীন কবীরের ছেলের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে বাধ্যতামূলক ৫০০ টাকা চেয়ে কর্মীদেরকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কলেজের সব কর্মচারীকে শুক্রবারের মধ্যে এই টাকা জমা দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এরপরই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

গত ২৪ জুন কলেজের প্রধান সহকারী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

নোটিশে বলা হয়, ‘অত্র কলেজের সকল কর্মচারীর অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১২ জুলাই ২০২৪ তারিখ সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবে মাননীয় অধ্যক্ষ মহোদয়ের পুত্রের বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত আয়োজনে আপনি নিমন্ত্রিত। এ উপলক্ষে সকল কর্মচারীকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে বাধ্যতামূলকভাবে ৫০০ টাকা অত্র কলেজের মো. আবুল হোসেনের নিকট আগামী ৫ জুলাই শুক্রবারের মধ্যে জমাদানের জন্য অনুরোধ করা হলো।’

কলেজের প্রধান সহকারী মামুন বলেন, সামাজিক প্রথা হিসেবে এই টাকা চাওয়া হয়েছে। আমাদের কলেজে এ নিয়ম চালু রয়েছে অনেক আগে থেকেই।

এ বিষয়ে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মোহসীন কবীর বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমি সকল কর্মকর্তা, কর্মচারীকে কার্ড দিয়ে দাওয়াত দিয়েছি এবং সবাইকে মুখেও বলেছি কোনো উপহার সামগ্রী না আনার জন্য। কিন্তু হেড ক্লার্ক এটা কেন করল বুঝলাম না।

তিনি আরও বলেন, আপনার কি মনে হয় কেউ নিজের ছেলের বিয়ের দাওয়াত দিয়ে উপহার চাইবে। আমি নিজেও বিষয়টা নিয়ে বিব্রত এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। আমি কাল সকালে তাকে শোকজ করব, কেন সে আমার মানসম্মানে আঘাত আনল, এভাবে নোটিশ দিয়ে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট