আলো জ্বেলে রাখো,দিবানিশি।
তোমার নরম আলোয় মাখামাখি আকাশ নদী।
প্রতিটি নীরব রাতে চাঁদের স্নিগ্ধতার মতো আমার বিছানা অব্দি পৌঁছে যায় তোমার আলো।
আমি সেই কোমল আলোতে স্নান করি,নির্বিকার মায়াবী সুরে।
তুমি আমার চোখের নীরব দৃষ্টি।
যে দৃষ্টি আমাকে পথ নির্দেশনা দেয়।
যামিনীর শেষ প্রহর, কামিনীর মনকাড়া সৌরভ।
কখনো কখনো শরতের নীল সাদা মেঘের শরীর।
বাতায়ন খুলে তাকিয়ে থাকি অনিমেষ!
আনমনে হারিয়ে যাই মেঘের দেশে।
তুমি এক উত্তাল সমুদ্র!
ঢেউয়ের গর্জন!
সৈকতের বালিয়াড়ি চর!
তোমার তটরেখা ধরে হেঁটে যাই অনন্তকাল!
ফুরায় না সময়ের সীমানা।
গাঙচিলের ঝাঁকের মতো উড়ে যাও মনের আকাশে।
তুমি আমার মনের সাথে মিশে আছো হাজারো না বলা কথার ভীরে।
জমে থাকা কথাগুলো হিমায়িত হয়ে হয়ে নষ্ট সময়ের শরীর ক্ষতবিক্ষত করে বেদনার করিডোর।
সর্বত্র তোমার স্মৃতির স্বচ্ছ আয়না।
দীঘির টলটলে জলের মতো,আমাকে ভিজিয়ে দাও!
তবুও কতোটা দূরত্বে তোমার অবস্থান।
ইচ্ছে করলেও ধরা যাবেনা,ছোঁয়া যাবেনা,কতোটা বিমূর্ত রুপে কতো টা অচেনা অতিথি হয়ে আছো।
তবু্ও তুমি আছো।
তুমি মিশে আছো আমার নিঃশ্বাসে বিশ্বাসে প্রতিটি স্পন্দনে।
রক্তের লাল স্বেত কণিকায়!
উদভ্রান্তের মতো,আগলে দাও আমার পথ।
ইচ্ছে করেও ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়।
নির্জনতা ঘিরে রাখে ফেরারী সময়।
নীরব অভিমান জমা দিয়েছি জনে জনে,ব্যাস্ততার কোলাহলে নিরুত্তর পৃথিবী,শুন সান নিরবতা।
সময়ের কাঁটাতার অস্রহাতে অতন্দ্র সীমান্তের প্রহরীর মতো আঁটকে রাখে সারাবেলা।
আর কতো দিন?
ক্যানভাসে অর্ধসমাপ্ত ছবি হয়ে থাকবে?
আর কতো দিন পানকৌড়ি ঠোঁটে ঝুলিয়ে রাখবো অপেক্ষার জ্বালাময়ী উপাখ্যান.?
রেখা