ভীষণ আঁধারের কুঞ্জটিকায় !
অন্তর্লীন হবো কুয়াশা জড়ানো
স্বপ্নের ভেতর !
জন্মের আগেই যেই প্রতিশ্রুতি স্বাক্ষরিত হয়েছিল চিরন্তন নিয়মে।
পৃথিবী টা তখনও ঘুরবে সূর্যকে
ভালোবেসে।
তখনও শ্রাবণ সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসবে,আলো আঁধারি মায়ায়।
রাতের কাছে সমর্পিত হবে পৃথিবী।
নক্ষত্রের মায়া কুঞ্জ জ্বলজ্বল করে জ্বলবে।
নীশি রাত কথা বলবে আঁধার এর সাথে।
অসমাপ্ত কবিতা টা,টেবিলে পড়ে থাকবে,
খোলা কলম।
বাতাসে উড়বে খাতার পৃষ্ঠা গুলো।
স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়বে কেউ! অপাংক্তেয় সুখের নেশায়।
কোলাহল মুখরিত সন্ধ্যায়,
কিংবা রাতের ডিনারে,
মুখরোচক শব্দের পঞ্চ ব্যাঞ্জন,তৃপ্ত ইন্দ্রিয়ে অনেকেই তখনও ব্যাস্ত থাকবে।
হারাবো একদিন, কবিতার প্লাবন, হারাবো স্নেহের আঁচলে বাঁধা প্রিয়জন,দুরাশার প্রান্তরে।
ছন্দ হারাবে তরঙ্গ।
তোমার চোখেও হয়তো জমবে এক ফোঁটা অশ্রু কনা, নিরব দীর্ঘশ্বাস, মিশে যাবে র্আঁধারে,সকলের অন্তরালে!
আমি হয়তো নক্ষত্রের মতো নীলিমায়
আলো জ্বেলে দিবো,তোমাকে দেখার প্রত্যাশায়।
হারাবো যেদিন!
কবিতার চরণ থেমে যাবে,থেমে যাবে অবাঞ্ছিত কথার অহংবোধ!
থেমে যাবে ধোঁয়া উঠা উত্তপ্ত চায়ের হুটহাট আব্দার।
মিশে যাবো প্রাচীন কাব্যের মতো,মৃত্তিকার পাদদেশে।
খুঁজবে না কেউ!
মনে পড়বেনা কোন স্মৃতির ঝাপসা আয়না!
বিধ্বস্ত পোড়োবাড়িতে আঁটকে যেতে হবে শতাব্দীর পথ।
হারাবো অনন্তের সিঁড়ি বেয়ে
নিশ্চল প্রতিশ্রুতির মতো!
যেখানে কখনো সূর্য আলো জ্বেলে রাখে না।
দুপুরে ঝলমলে রোদ্দুর হাসে না।
শুধু চিরন্তন আঁধারে ঢেকে থাকে মৃত্যুর আলিঙ্গন।
প্রতিশ্রুতি নেই,বিশ্বাস ভাঙার
মতো যন্ত্রণা নেই।
নেই কথা বলার সঙ্গী।
অপার্থিব দৃষ্টি ছুঁয়ে যায় শুন্যতায়,নষ্ট
মানুষের কষ্ট নেই, প্রতাড়না নেই,জালিয়াতী নেই।
সেখানে না-পাওয়ার হাপিত্যেশ নেই
ফিরবো না কোন দিন অনুতাপে দগ্ধ হয়ে কিংবা কোন অনুশোচনা বিধ্বস্ত মন নিয়ে।
শুধু শান্ত মাটির আশ্রয়ে মিশে যাবো
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী।
চিরন্তন আঁধারে নির্লিপ্ত শুপ্ত আবাসন।
রেখা