1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরগঞ্জে দৈনিক পত্রিকা সরবরাহ পুনরায় চালু হোক পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আবাসন প্রকল্পের মালামাল চুরি, সাব-ঠিকাদার শফিক গ্রেপ্তার কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র নির্বাচন ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ শারীরিক শিক্ষক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার উপদেষ্টা নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন কুউক চেয়ারম্যানের সাথে মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার জাহান দোলনের সৌজন্য সাক্ষাৎ কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সাথে মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ মনোহরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত, আহত অন্তত ২০ শারীরিক শিক্ষক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার কমিটি গঠন। মজিব সভাপতি, আনোয়ার সম্পাদক ও নুরুননবী চৌধুরী সাংগঠনিক নির্বাচিত. মনোহরগঞ্জে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত মনোহরগঞ্জে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে শহীদ মনিরের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল

আজ ১৯ অক্টোবর ইসলামী জাগরণের কবি ফররুখ আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী

সরদার আব্বাস উদ্দিন
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে
আজ ১৯ অক্টোবর বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ করি ইসলামী জাগরণের কবি ফররুখ আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী। বিংশ শতাব্দীর এই কবি ইসলামি ভাবধারার বাহক হলেও তার কবিতা প্রকরণকৌশল, শব্দচয়ন এবং বাক্‌প্রতিমার অনন্য বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। আধুনিকতার সকল লক্ষণ তার কবিতায় পরিব্যাপ্ত। তার কবিতায় রোমান্টিকতা থেকে আধুনিকতায় উত্তরণের ধারাবাহিকতা পরিস্ফুট। ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থে তিনি যে-কাব্যভাষার সৃষ্টি করেছেন তা স্বতন্ত্র এবং এ-গ্রন্থ তার এক অমর সৃষ্টি।
১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার মাঝআইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। খানসাহেব সৈয়দ হাতেম আলী ও রওশন আখতারের দ্বিতীয় ছেলে ফররুখ আহমদ। ১৯৩৭ সালে খুলনা জেলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা, ১৯৩৯ সালে কলকাতা রিপন কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। কলকাতা স্কটিশ চার্চ কলেজে ১৯৩৯ সালে দর্শন বিষয়ে, পরে ১৯৪১ সালে কলকাতা সিটি কলেজে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স নিয়ে বিএতে ভর্তি হন। কিন্তু নানাবিধ কারণে এখানেই অ্যাকাডেমিক শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে। ১৯৪৩ সালে আইজি প্রিজন অফিস ও ১৯৪৪ সালে সিভিল সাপ্লাই অফিসে স্বল্পকাল চাকরি করেন। এরপর সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চা নিয়েই জীবনের বড় সময় কাটিয়েছেন ফররুখ আহমদ। তিনি রেডিও পাকিস্তান, ঢাকা ও বাংলাদেশ বেতারের নিজস্ব শিল্পী ছিলেন। আদর্শিক মতপার্থক্যের কারণে এবং দলীয় লেজুড়বৃত্তির তৈলাক্ত লেখা না লেখার জন্য শেখ মুজিবর রহমান সরকারের আমলে তাঁকে চাকুরিচ্যুত করা হয় এবং মিডিয়ায় তাঁর ওপর নিষেধাজ্ঞা তৈরি হয়।
১৯৬০ সালে ফররুখ আহমদ বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। কবি ফররুখ আহমদ ১৯৬৫ সনে প্রেসিডেন্ট পদক প্রাইড অব পারফরমেন্স এবং ১৯৬৬ সালে পান আদমজী সাহিত্য পুরস্কার ও ইউনেস্কো পুরস্কার। ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে তাকে যথাক্রমে মরণোত্তর একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়। মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের কবিতাগুলো এখনো মানুষের জীবনে চির ভাস্বর হয়ে আছে। কবি ফররুখ আহমদ তার জীবনের প্রথম দিকে জড়বাদী চিন্তাচেতনায় আচ্ছন্ন থাকলেও এক সময় পেয়ে যান ‘হেরার রাজ তোরণ’ এর পথ। তখন স্রষ্টার প্রতি তার ঈমান কিংবা বিশ্বাস এতটাই সুদৃঢ় হয় যে, জড়বাদী সভ্যতার কোনো কিছুর সাথেই আপস করেননি মহান এই কবি। নিধারুণ অর্থকষ্টে পড়েছেন কবি। অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করে বিনা চিকিৎসায় তিনি হারিয়েছেন তার মেয়েকে এবং তিনি নিজেও মাত্র ৫৬ বছর বয়সে ১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর ঢাকার ইস্কাটন গার্ডেনে ইন্তেকাল করেন।
মহান রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতের নিয়ামতে সমৃদ্ধ করুন এবং সম্মানিত করুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট