
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) ভিপি ও গুপ্ত সংগঠন শিবিরের নেতা সাদিক কায়েম শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, পরিকল্পিতভাবে একটি গোষ্ঠী ‘জুলাই বিপ্লব’কে ব্যর্থ করার অপতৎপরতা চালাচ্ছে। আর এতে আওয়ামীবিরোধী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বিপাকে পড়তে পারেন
ফ্যাসিবাদের ফ্রেমিংয়ে জুলাইকে ‘অপরাধ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে বলেও উদ্বেগ জানান তিনি।
আজ ২৫শে ফেব্রুয়ারি, বুধবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি তার শঙ্কার কথা প্রকাশ করেন।
জুলাই দাঙ্গায় হত্যা-সন্ত্রাসে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখা গুপ্ত সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতা সাদিক কায়েম তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, জুলাইকে বিতর্কিত করতে গণভোট ও জুলাই সনদ প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের সুরক্ষা অধ্যাদেশ বাতিলের লক্ষ্যে পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক।
অসংখ্য পুলিশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটিকে ‘কথিত’ আখ্যা দিয়ে গুপ্ত সংগঠনের এই নেতা বলেন, কথিত পুলিশ হত্যাকাণ্ডের তদন্তের নামে আওয়ামী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তৎপরতা চলছে এবং কিছু গণমাধ্যম এ বিষয়ে সরকারের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ থাকার দাবি করছে—যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
জুলাই-আগস্টের দাঙ্গায় সংঘটিত অপরাধের তদন্ত ও বিচার হলে যে আওয়ামী বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা বিপাকে পড়তে পারেন, সেই শঙ্কা প্রকাশ করে ডাকসু ভিপি বলেন, যদি সুরক্ষা অধ্যাদেশ বাতিল করা হয় বা আইনি জটিলতায় ফেলে বিপ্লবীদের হয়রানি করা হয়, তবে শুধু ছাত্রনেতৃবৃন্দ নয়, জামায়াত, বিএনপি, এনসিপিসহ আওয়ামী বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির শীর্ষ নেতারাও এর শিকার হতে পারেন।
পোস্টে হুমকির ভাষায় তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।
বিএনপি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, জুলাইকে ব্যর্থ করতে পতিত ফ্যাসিস্ট ও তাদের সুবিধাভোগীদের অপচেষ্টা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা জাতীয় জীবনে বাস্তবায়নে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।