1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ১৩১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মোবারক, সম্পাদক মেহেদী মনোহরগঞ্জে আলীনকিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত অস্ত্রের মহড়ার টিকটক ভিডিও: মনোহরগঞ্জে কিশোর গ্যাং লিডার গ্রেফতার মনোহরগঞ্জে শিক্ষিকার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন। মনোহরগঞ্জে সন্ত্রাস নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব!

বিয়ের দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষকের বাড়িতে দুই দিন ধরে অনশনে মাধ্যমিক শিক্ষিকার

জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৩০ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে টানা দুই দিন ধরে অনশন করছেন এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। চার বছরের প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগ তুলে তিনি এ কর্মসূচি পালন করছেন।

ঘটনাটি ঘটে গাংনী উপজেলার চেংগাড়া গ্রামে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিয়ের দাবিতে অভিযুক্ত শিক্ষক আমিরুল ইসলাম সুফলের বাড়িতে যান অনশনকারী শিক্ষিকা সালমা খাতুন। এ সময় পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে আমিরুল ইসলাম সুফল বাড়ি ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যান।

অভিযুক্ত আমিরুল ইসলাম সুফল চেংগাড়া গ্রামের আনারুদ্দীনের ছেলে এবং চেংগাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। অপরদিকে সালমা খাতুন গোপালনগর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মহিষকুন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক।

অনশনকারী সালমা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, গত চার বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন সুফল। চাকরি পেলে বিয়ে করবেন—এমন আশ্বাসে তিনি অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু চাকরি পাওয়ার পর এখন সুফল যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, “আমি এখন শিক্ষকতা করছি। কিন্তু সে আমাকে বিয়ে করতে রাজি নয়। ফোনও ধরছে না। আমি বিয়ে ছাড়া এখান থেকে যাব না। প্রয়োজনে আমার লাশ এই বাড়ি থেকেই বের হবে।”

অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আমিরুল ইসলাম সুফল মোবাইল ফোনে জানান, সালমা খাতুনের সঙ্গে তার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। তিনি দাবি করেন, বিয়ের জন্য তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে এবং তিনি এ বিয়েতে রাজি নন। বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে বাড়িতে থাকা সম্ভব ছিল না।”

এ বিষয়ে আমিরুল ইসলামের খালাতো ভাই বাবু জানান, দুজনেই শিক্ষক হলেও তাদের সম্পর্কের বিষয়ে পরিবার নিশ্চিত নয়। এক পক্ষ সম্পর্কের দাবি করলেও অন্য পক্ষ তা অস্বীকার করছে। বিষয়টি স্থানীয় পুলিশকে জানানো হয়েছে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাশ বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট