1. live@dailytrounkhota.com : news online : news online
  2. info@www.dailytrounkhota.com : দৈনিক তরুণ কথা :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝলম উত্তর ইউনিয়নকে একটি “মডেল ইউনিয়ন” হিসেব গড়তে চান আবদুল মান্নান সুমন মনোহরগঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। মনোহরগঞ্জের লক্ষণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশের মাধ্যমে ২য় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত নওয়াব ফয়জুন্নেছা কলেজের ২০ কোটি টাকার সম্পদ দখলে ভূমি দস্যুদের উৎসব! মনোহরগঞ্জে ২৪তম ইউএনও হিসেবে রিফাত জাহানের যোগদান মনোহরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ছাত্রশিবির বর্ণাঢ্য আয়োজনে মনোহরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মনোহরগঞ্জে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মনোহরগঞ্জের মৈশাতুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মাছের পোনা অবমুক্ত

স্লোগানের ঢেউয়ে মানিক মিয়া এভিনিউ, শেষ বিদায়ে অপেক্ষা হাদির

অনলাইন ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৯১ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির জানাজা শুরু হতে তখনও প্রায় দুই ঘণ্টা বাকি। অথচ সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামতে থাকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়। স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

আজ শনিবার দুপুর ২টায় হাদির জানাজার সময় নির্ধারিত। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মানিক মিয়া এভিনিউ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। নানা জেলা থেকে হাজারো মানুষ দলে দলে আসতে থাকেন। কেউ আসছেন মিছিল নিয়ে, কেউ আবার নীরবে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন শেষ বিদায়ের মুহূর্তের।

জড়ো হওয়া মানুষের মুখে মুখে একই স্লোগান। আমরা সবাই হাদি হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো। আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই। তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি। স্লোগানের গর্জনে মুহূর্তে মুহূর্তে কেঁপে উঠছে আশপাশের এলাকা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক হাদির জানাজায় অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জ থেকে সকালে এসেছেন মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, হাদিকে গুলি করার খবর শোনার পর থেকে রাতে ঘুমাতে পারছি না। জানাজায় শরিক হতে পেরে একটু শান্তি পাব ভেবেই এসেছি। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন।

ঢাকার বাইরে থেকে আসা অয়ন চৌধুরী বলেন, হাদির আগে আল্লাহ আমাকে নিল না কেন। এই দেশে তার মতো মানুষের প্রয়োজন ছিল আরও অনেক বেশি।

জানাজায় শরিক হতে আগেভাগেই অজু করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন মুসল্লিরা। কেউ সিটি করপোরেশনের রাখা পানিতে, কেউ নিজের সঙ্গে আনা পানিতে পবিত্রতা অর্জন করছেন। চারপাশজুড়ে দেখা যাচ্ছে শোক আর ক্ষোভের মিশ্র আবহ।

মানিক মিয়া এভিনিউয়ের বিভিন্ন প্রবেশপথে খেজুর তলা এলাকায় বাঁশের ব্যারিকেড বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তল্লাশি শেষে সবাইকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। জনস্রোত সামলাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হিমশিম খেতে দেখা যায়।

শেষ বিদায়ের ক্ষণ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই ভারী হয়ে উঠছে পরিবেশ। স্লোগান, চোখের জল আর নীরব অপেক্ষায় মানিক মিয়া এভিনিউ যেন রূপ নিয়েছে এক শোকস্তব্ধ প্রতিবাদের মঞ্চে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট